হুমায়ুন আজাদ হত্যা : আত্মপক্ষ সমর্থন ২৪ এপ্রিল

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৯:০৩ পিএম, ২১ মার্চ ২০১৯

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) বাংলা বিভাগের অধ্যাপক ড. হুমায়ুন আজাদ হত্যা মামলায় আসামিপক্ষের আত্মপক্ষ সমর্থনের জন্য আগামী ২৪ এপ্রিল দিন ধার্য করেছেন আদালত। এছাড়া বিস্ফোরক আইনে করা মামলার সাক্ষ্যগ্রহণের জন্যও একই দিন ধার্য করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২১ মার্চ) ঢাকার চতুর্থ অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ মাকছুদা পারভীন এদিন ধার্য করেন। এদিন হত্যা মামলায় আত্মপক্ষ সমর্থন ও বিস্ফোরক মামলার সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য দিন ধার্য ছিল।

হত্যা মামলায় আসামিপক্ষ আত্মপক্ষ সমর্থনে কিছু সাক্ষীর পুনরায় সাক্ষ্য নেয়ার জন্য আবেদন করেন। আদালত তা নামঞ্জুর করেন। অপরদিকে বিস্ফোরক আইনে করা মামলায় আদালতে কোনো সাক্ষী উপস্থিত না হওয়ায় রাষ্ট্রপক্ষ সাক্ষ্যগ্রহণ পেছানোর আবেদন করেন। আদালত তা মঞ্জুর করে একই দিন শুনানির জন্য দিন ধার্য করেন।

আদালতের পেশকার ইফতেখার আহমেদ বিষয়টি জাগো নিউজকে নিশ্চিত করেন।

২০০৪ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি অমর একুশে বইমেলা থেকে বাসায় ফেরার পথে বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশনের সামনে সন্ত্রাসী হামলার শিকার হন হুমায়ুন আজাদ। তাকে চাপাতি ও কুড়াল দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর জখম করা হয়। ঘটনার পরদিন হুমায়ুন আজাদের ভাই মঞ্জুর কবির রমনা থানায় একটি হত্যাচেষ্টা মামলা দায়ের করেন।

ওই হামলার পর হুমায়ুন আজাদ ২২ দিন সিএমএইচে এবং ৪৮ দিন ব্যাংককে চিকিৎসাধীন ছিলেন। পরে জার্মানির মিউনিখে চিকিৎসাধীন অবস্থায় একই বছরের ১২ আগস্ট তিনি মারা যান।

তার মৃত্যুর পর মামলাটি হত্যা মামলায় রূপান্তর হয়।

২০১২ সালের ৩০ এপ্রিল সিআইডির পরিদর্শক লুৎফর রহমান পাঁচজনকে অভিযুক্ত করে হত্যা এবং বিস্ফোরকদ্রব্য আইনের মামলায় আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।

মামলার আসামিরা হলেন- জেএমবির শুরা সদস্য মিজানুর রহমান ওরফে মিনহাজ ওরফে শফিক, আনোয়ার আলম ওরফে ভাগ্নে শহিদ, সালেহীন ওরফে সালাহউদ্দিন, হাফিজ মাহমুদ ও নূর মোহাম্মদ ওরফে সাবু। আসামিদের মধ্যে মিনহাজ ও আনোয়ার কারাগারে আছেন। সালাহউদ্দিন ও নূর মোহাম্মদ পলাতক। হাফিজ মারা গেছেন।

ওই মামলায় জেএমবির শুরা সদস্য মিজানুর রহমান ওরফে মিনহাজ ওরফে শফিক ও আনোয়ার আলম ওরফে ভাগিনা শহিদ আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন।

হত্যা মামলায় ৫৮ সাক্ষীর মধ্যে তদন্তকারী কর্মকর্তাসহ ৪১ জন সাক্ষ্য দেন। বিস্ফোরক আইনে করা মামলায় সাক্ষ্য দেন ১০ জন।

জেএ/এমএআর/এমকেএইচ