এএসপি মিজান হত্যা : পলাতক ফারুকের বিরুদ্ধে প্রতিবেদন ২৭ মে

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৫:১৩ পিএম, ২৫ এপ্রিল ২০১৯

হাইওয়ে পুলিশের সহকারী কমিশনার (এএসপি) মিজানুর রহমান তালুকদার (৫০) হত্যা মামলায় পলাতক আসামি ফারুক হাওলাদার বিরুদ্ধে গ্রেফতার-সংক্রান্ত তামিল প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ২৭ মে দিন ধার্য করেছেন আদালত।

আজ বৃহস্পতিবার পলাতক ফারুকের বিরদ্ধে গ্রেফতার-সংক্রান্ত তামিল প্রতিবেদন দাখিলের জন্য দিন ধার্য ছিল। কিন্তু পুলিশ প্রতিবেদন দাখিল না করায় ঢাকা মহানগর হাকিম তোফাজ্জল হোসেন নতুন এ দিন ধার্য করেন।

এর আগে ২৪ মার্চ ঢাকা মহানগর হাকিম আদালতের ফারুক হাওলাদার (পলাতক) ও শাহ আলম ওরফে আলম ওরফে বুড্ডার বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করেন ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (পশ্চিম) পরিদর্শক সিরাজুল ইসলাম খান। ঢাকা মহানগর হাকিম মোর্শেদ আল মামুন ভূঁইয়া এ চার্জশিট আমলে নিয়ে পলাতক আসামি ফারুক হাওলাদারের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন। গ্রেফতার-সংক্রান্ত তামিল প্রতিবেদন দাখিলের জন্য ২৫ এপ্রিল দিন ধার্য করেন আদালত।

এ ছাড়া জাকির হোসেন ও আয়নাল হক ওরফে এনামুল হক ওরফে মিন্টু ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত হওয়ায় মামলা থেকে তাদের অব্যাহতির আবেদন করেন তদন্ত কর্মকর্তা। আর কামাল নামে আরেক আসামির পুরো নাম ঠিকানা না পাওয়ার কারণে তাকেও অব্যাহতির আবেদন করা হয়।

২০১৭ সালের ২১ জুন রাজধানীর রূপনগর থানার অধীন মিরপুর বেড়িবাঁধের বিরুলিয়া ব্রিজ থেকে প্রায় ৫০০ গজ উত্তরে ঢাকা বোর্ড ক্লাবের সামনে থেকে এএসপি মিজানুর রহমানের মরদেহ উদ্ধার করে রূপনগর থানা পুলিশ। ওইদিন রাতেই তার ভাই মো. মাসুম তালুকদার বাদী হয়ে রূপনগর থানায় অজ্ঞাতদের নামে হত্যা মামলা করেন। ডিএমপির ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে পরে মামলার তদন্তভার ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) কাছে ন্যস্ত করা হয়।

পরিবার ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ২০১৭ সালের ২১ জুন ভোর ৫টায় এএসপি মিজান উত্তরার নিজ বাসা থেকে বের হন। দুপুর ১২টার দিকে ছোট ভাই মাসুম তার মোবাইলে ফোন দিলে রূপনগর থানা পুলিশ রিসিভ করে বলেন, ‘এএসপি মিজানের মরদেহ মিরপুর বেড়িবাঁধ এলাকা থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। পরে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে ভাইয়ের মরদেহ শনাক্ত করেন।’

জেএ/এসআর/এমকেএইচ

আপনার মতামত লিখুন :