আরও ২৮১ দিন সময় পেল অ্যাকর্ড

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০২:০৩ পিএম, ১৯ মে ২০১৯

বাংলাদেশে ইউরোপের ক্রেতাদের সমন্বয়ে গঠিত কারখানা পরিদর্শন জোট অ্যাকর্ডের কার্যক্রম চালানো সংক্রান্ত আবেদন শুনানিতে ২৮১ দিন সময় দিয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ। এর ফলে, অ্যাকর্ড ও বিজিএমইএ যৌথভাবে কার্যক্রম চলতে কোনো বাধা নেই বলে জানিয়েছেন আইনজীবীরা।

এ সময়ের মধ্যে অ্যাকর্ড বিজিএমইএর সঙ্গে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্বারক (এমওইউ) অনুযায়ী সব দায়িত্ব হস্তান্তর (বিজিএমইএ) করবে। পাশাপাশি অ্যাকর্ডের ভেতর বিজিএমইএর একটি সেল গঠন করা হবে এবং অ্যাকর্ড ও বিজিএমইএ যৌথভাবে কারখানা পরিদর্শন ও এর নিরাপত্তা নিশ্চিতে কাজ করবেন বলেও জানান আদালত।

অ্যাকর্ডের আপিল আবেদন নিষ্পত্তি করে রোববার প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বে আপিল বিভাগের চার সদস্যের বেঞ্চ এই আদেশ দেন।

আদালতে আজ রাষ্ট্রপক্ষে অ্যাকর্ডের সময় আবেদনের শুনানি করেন অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল মুরাদ রেজা। এছাড়াও বিজিএমইএর পক্ষে ছিলেন ব্যারিস্টার ইমতিয়াজ মইনুল ইসলাম এবং অ্যাকর্ডের পক্ষে শুনানিতে ছিলেন আইনজীবী সালাউদ্দিন আহমেদ।

পরে ইমতিয়াজ মইনুল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন, ‘অ্যাকর্ড ও বিজিএমইএর মধ্যে একটি সমঝোতা স্বারক স্বাক্ষরিত হয়েছে। সেই স্মারকের শর্তানুসারে অ্যাকর্ডকে এই সময় দেয়া হয়েছে।’

সঙ্গে সঙ্গে পাশাপাশি অ্যাকর্ডের ভেতর বিজিএমইএ’র একটি সেল গঠন করা হবে এবং অ্যাকর্ড ও বিজিএমইএ যৌথভাবে কারখানা পরিদর্শন ও শ্রমিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে কাজ করবেন বলেও জানান আদালত।

প্রসঙ্গত, এর আগে ২০১৩ সালের ২৪ এপ্রিল সাভারে রানা প্লাজা ধসের পর একই বছরের ১৫ মে ইউরোপের ২০টি দেশসহ উত্তর আমেরিকা ও অস্ট্রেলিয়ার ২০০ ব্র্যান্ড এবং খুচরা ক্রেতা ও কয়েকটি ট্রেড ইউনিয়নের সমন্বয়ে অ্যাকর্ড গঠিত হয়। সরকারের সঙ্গে চুক্তি অনুযায়ী, ৫ বছরের নির্ধারিত মেয়াদ শেষ হয়েছে। তবে সরকারের সঙ্গে সমঝোতার ভিত্তিতে অতিরিক্ত ৬ মাস সময় এ দেশে কাজ করার সুযোগ দেয়া হয় অ্যাকর্ড এবং অপর ক্রেতাজোট উত্তর আমেরিকার অ্যালায়েন্সকে। বর্ধিত সেই মেয়াদও শেষ হয়েছে।

এরপর সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগ বাংলাদেশে অ্যাকর্ডের কার্যক্রম নিয়ে চূড়ান্ত রায় দিয়ে বাংলাদেশ থেকে কার্যক্রম গুটিয়ে নিতে অ্যাকর্ডকে নির্দেশ দেন। এরপর মামলাটি আপিল বিভাগে যাওয়ার পর থেকে বারবার সময় আবেদন করে আসছে অ্যাকর্ড।

এফএইচ/জেএইচ/আরআইপি

আপনার মতামত লিখুন :