তৃতীয় দফা রিমান্ডে সেলিম প্রধান

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৮:৩১ পিএম, ১৮ অক্টোবর ২০১৯

রাজধানীর গুলশান থানায় মাদক আইনে করা মামলায় অনলাইনে ক্যাসিনো খেলার মূলহোতা সেলিম প্রধানসহ তার দুই সহযোগীর ৩ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। দুই সহযোগী হলেন- আক্তারুজ্জামান ও রোকন।

শুক্রবার ঢাকা মহানগর হাকিম সত্যব্রত শিকদার শুনানি শেষে এ রিমান্ড মঞ্জুর করেন। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা পাঁচদিনের রিমান্ড আবেদন করলে আদালত তিনদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

প্রথম দফায় গত ৩ অক্টোবর মাদক মামলায় সেলিম প্রধানসহ তার দুই সহযোগীর চারদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন ঢাকা মহানগর হাকিম মইনুল ইসলামের আদালত।

দ্বিতীয় দফায় ১৩ অক্টোবর মানি লন্ডারিং মামলায় সেলিম প্রধান ও তার দুই সহযোগীর পাঁচদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন ঢাকা মহানগর হাকিম সাদবীর ইয়াসির আহসান চৌধুরীর আদালত। এ মামলায় প্রতিবেদন দাখিলের জন্য ৩ নভেম্বর দিন ধার্য করেন আদালত।

গুলশান থানায় মানি লন্ডারিং ও মাদক আইনে তার বিরুদ্ধে পৃথক দুটি মামলা করে র‍্যাব। এর আগে অফিসে দুটি হরিণের চামড়া রাখায় সেলিম প্রধানকে ছয় মাসের কারাদণ্ড দেন র‍্যাবের ভ্রাম্যমাণ আদালত।

র‍্যাব জানায়, হরিণের চামড়া উদ্ধারের ঘটনায় সেলিম প্রধানকে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ আইনে ছয় মাসের কারাদণ্ড দিয়ে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

থাই এয়ারওয়েজের টিজি-৩২২ নম্বর ফ্লাইটটি ছাড়ার আগ মুহূর্তে সেলিম প্রধানকে আটক করা হয়। তিনি বাংলাদেশে অনলাইনে ক্যাসিনো ব্যবসার মূলহোতা বলে জানায় র‍্যাব ।

এরপর সেলিমকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের পর রাজধানীর গুলশান-২ এর ১১/এ রোডে সেলিম প্রধানের অফিসে অভিযান শুরু চালায় র‍্যাব। পরে তার আরেকটি অফিসে অভিযান চালানো হয়।

দুই জায়গায় অভিযান চালিয়ে ৪৮টি বিদেশি মদের বোতল, ২৯ লাখ ৫ হাজার ৫০০ নগদ টাকা, ২৩টি দেশের বৈদেশিক মুদ্রা (যার মূল্য ৭৭ লাখ ৬৩ হাজার টাকা), ১২টি পাসপোর্ট, ১২টি ব্যাংকের ৩২টি চেকবই, একটি বড় সার্ভার, চারটি ল্যাপটপ এবং দুটি হরিণের চামড়া উদ্ধার করে র্যাব।

র‍্যাবের তদন্তে সেলিমের গুলশানে ‘প্রধান ফ্যাশন’ ও ‘প্রধান বিউটি কেয়ার অ্যান্ড স্পা’ নামে আরও দুটি প্রতিষ্ঠানের সন্ধান পাওয়া যায়। সেখানে অভিযান চালিয়ে তা বন্ধ পাওয়া যায়।

জেএ/জেএইচ/এমকেএইচ