আবরার হত্যা : অমিত সাহা ও রাফাত কারাগারে

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৪:২৮ পিএম, ২০ অক্টোবর ২০১৯

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) ছাত্র আবরার ফাহাদকে পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় বহিষ্কৃত ছাত্রলীগ নেতা অমিত সাহা ও বুয়েটের মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের ১৭ম ব্যাচের শিক্ষার্থী শামসুল আরেফিন রাফাতকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

দ্বিতীয় দফা রিমান্ড শেষে রোববার ঢাকা মহানগর হাকিম আদালতে হাজির করে মামলার তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাদের কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ডিবি পুলিশের পরিদর্শক ওয়াহিদুজ্জামান।

শুনানি শেষে ঢাকা মহানগর হাকিম সাদবীর ইয়াসির আহসান চৌধুরী তাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

গত বৃহস্পতিবার অমিত সাহার ফের তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত। ওইদিন পাঁচ দিনের রিমান্ড শেষে তাকে আদালতে হাজির করা হয়। এদিকে গত ১৫ অক্টোবর রাফাতের চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত। ৯ অক্টোবর ঢাকা মহানগর হাকিম আদালত তার পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

গত ১০ অক্টোবর ঢাকার সবুজবাগ থেকে অমিত সাহাকে আটক করে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ। ১৪ অক্টোবর তাকে ছাত্রলীগ থেকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হয়।

উল্লেখ্য, ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাস দেয়ার জেরে বুয়েট শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদকে গত ৬ অক্টোবর রাতে ডেকে নিয়ে যায় বুয়েট শাখা ছাত্রলীগের কয়েকজন নেতাকর্মী। এরপর রাত ৩টার দিকে শেরেবাংলা হলের নিচতলা ও দোতলার সিঁড়ির করিডোর থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

পরদিন সোমবার (৭ অক্টোবর) দুপুরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতাল মর্গে আবরারের ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হয়। নিহত আবরার বুয়েটের ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন। তিনি শেরেবাংলা হলের ১০১১ নম্বর কক্ষে থাকতেন।

এ ঘটনায় আবরারের বাবা বরকত উল্লাহ বাদী হয়ে চকবাজার থানায় ১৯ জনের বিরুদ্ধে একটি হত্যা মামলা করেন। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত ২০ জনকে গ্রেফতার করেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।

জেএ/বিএ/জেআইএম

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]