শওকত মাহমুদসহ বিএনপি-ছাত্রদলের ১৪ নেতার জামিন

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০১:১৪ পিএম, ০৪ ডিসেম্বর ২০১৯
ফাইল ছবি

দুর্নীতির মামলায় দণ্ড নিয়ে কারাগারে থাকা বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে সুপ্রিম কোর্টের সামনে অবস্থান কর্মসূচিতে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষের মামলায় বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শওকত মাহমুদসহ ১৪ জনের আট সপ্তাহের জামিন মঞ্জুর করেছেন হাইকোর্ট। এ সময়ের মধ্যে তাদের নিম্ন আদালতে আত্মসমর্পণ করতে বলা হয়েছে।

জামিনে বিষয়টি জাগো নিউজকে নিশ্চিত করেন আইনজীবী মো. মাসুদ রানা ও গোলাম আক্তার জাকির।

তিনি জানান, সাংবাদিক ও বিএনপি নেতা শওকত মাহমুদ ছাড়া জামিন পাওয়া বাকিরা হলেন-স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি শফিউল বারী বাবু, জাতীয় দলের চেয়ারম্যান সৈয়দ এহসানুল হুদা, ছাত্রদলের সভাপতি ফজলুর রহমান খোকন, সাধারণ সম্পাদক ইকবাল হোসেন শ্যামল, মুক্তিযোদ্ধা দলের সাধারণ সম্পাদক সাদেক আহমেদ খান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সভাপতি আল মেহেদী তালুকদার, ঢাকা মহানগর উত্তর ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আশরাফুল ইসলাম রবিন, জাতীয় প্রেস ক্লাব কর্মচারী ইউনিয়নের সাবেক সভাপতি রফিকুল ইসলাম ও ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের নির্বাহী পরিষদ সদস্য এইচ এম আল-আমিন।

বিএনপি ও ছাত্রদল নেতারা বুধবার (৪ ডিসেম্বর) হাজির হয়ে জামিন আবেদন করলে শুনানি নিয়ে হাইকোর্টের বিচারপতি জাহাঙ্গীর হোসেন ও বিচারপতি মো. রিয়াজ উদ্দিন খানের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

আদালতে জামিনের পক্ষে ছিলেন খন্দকার মাহবুব হোসেন, এজে মোহাম্মদ আলী। সঙ্গে ছিলেন বিএনপির আইন সম্পাদক ব্যারিস্টার কায়সার কামাল, সালমা সুলতানা সোমা, ব্যারিস্টার ফাইয়াজ জিবরান, গোলাম আক্তার জাকির, মাকসুদুল ইসলাম ও রুকুনুজ্জামান সুজা প্রমুখ।

এর আগে গত ২৮ নভেম্বর একই মামলায় বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ চার নেতাকে ৮ সপ্তাহের আগাম জামিন দিয়েছিলেন হাইকোর্ট।

উল্লেখ্য, গত ২৬ নভেম্বর কারাবন্দি বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে জাতীয়তাবাদী মুক্তিযোদ্ধা দলের নেতাকর্মীরা সুপ্রিম কোর্টের সামনে সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করে। এক পর্যায়ে পুলিশের সঙ্গে তাদের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া এবং বেশ কয়েকটি গাড়ি ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ অজ্ঞাত ৫০০ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে শাহবাগ থানায় বাদী হয়ে মামলা করে (নম্বর ৩২) পুলিশ।

মামলার এজারভুক্ত আসামিদের মধ্যে রয়েছেন- বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ভাইস চেয়ারম্যান হাফিজ উদ্দিন আহমেদ, আবদুল্লাহ আল নোমান, শওকত মাহমুদ, বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব ও ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সভাপতি হাবিব উন নবী খান সোহেল, খায়রুল কবির খোকন, বিএনপির প্রচার সম্পাদক শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানী, আইন সম্পাদক ব্যারিস্টার কায়সার কামাল, স্বেচ্ছাসেবক বিষয়ক সম্পাদক মীর শরাফত আলী সপু, কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ও সাবেক সংসদ সদস্য শাহ মোহাম্মদ আবু জাফর, জাতীয়তাবাদী মুক্তিযোদ্ধা দলের সভাপতি ইসতিয়াক আজিজ উলফাত, সাধারণ সম্পাদক সাদেক খান, যুবদলের সভাপতি সাইফুল ইসলাম নীরব, স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি শফিউল বারী বাবু, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল কাদির ভূঁইয়া জুয়েল, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক হাবিবুর রশিদ হাবিব, ছাত্রদলের সভাপতি ফজলুর রহমান খোকন, সাধারণ সম্পাদক ইকবাল হোসেন শ্যামল, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সভাপতি মেহেদী তালুকদার, কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সাবেক ছাত্রবৃত্তি সহ সম্পাদক রওনাকুল ইসলাম শ্রাবণ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের যুগ্ম সম্পাদক শাহনেওয়াজ, সাইফ মোহাম্মদ জুয়েল, ঢাকা দক্ষিণ ছাত্রদলের যুগ্ম সম্পাদক আশরাফুল ইসলাম রবিন প্রমুখ।

এফএইচ/আরএস/এএইচ/এমকেএইচ/এমএস