সাংবাদিক আতিক হত্যার রায় ৮ ডিসেম্বর

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৯:০৪ পিএম, ০৪ ডিসেম্বর ২০১৯

বেসরকারি টিভি চ্যানেল এনটিভির ভিডিও এডিটর আতিকুল ইসলাম আতিক হত্যা মামলায় রায় ঘোষণার জন্য ৮ ডিসেম্বর দিন ধার্য করেছেন হাইকোর্ট। আসামিদের আপিল ও ডেথ রেফারেন্সের শুনানি শেষ হওয়ায় রায়ের জন্য এ দিন ধার্য করেন আদালত।

বুধবার (৪ ডিসেম্বর) হাইকোর্টের বিচারপতি শহিদুল করিম ও বিচারপতি মো. আক্তারুজ্জামানের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এ দিন ধার্য করে আদেশ দেন।

আদালতে আসামি পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী ফজলুল হক খান ফরিদ। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল মো. মেহেদী হাসান।

এর আগে ২০১৪ সালের ২৪ জুন বেসরকারি টিভি চ্যানেল এনটিভির ভিডিও এডিটর আতিকুল ইসলাম আতিক হত্যা মামলায় রায় দেন নিম্ন আদালত। রায়ে একজনের ফাঁসি ও দুইজনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন আদালত। এছাড়া পলাতক এক আসামিকে তিন বছর কারাদণ্ড দেয়া হয়। রায়ে শাকিল সিকদারকে ফাঁসি দেন নিম্ন আদালত। তার বাড়ি ঝালকাঠির নলছিটি থানার সরমহল গ্রামে।

আবদুল্লাহ মো. ইবনে আলী সরকার ওরফে নাহিদ ও মো. ফোরকানকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেয়া হয়। নাহিদের বাড়ি নরসিংদীর রায়পুর উপজেলার রামনগরহাটি গ্রামে। ফোরকানের বাড়ি পটুয়াখালির কেউরাবুনিয়া গ্রামে। পলাতক রয়েছেন বরগুনার আমতলি উপজেলার কলাগাছি গ্রামের মো. খোকন।

মামলার এজাহার থেকে জানা যায়, ২০০৯ বছরের ১৩ ফেব্রুয়ারি প্রতিদিনের মত কাজ শেষে বাসায় ফিরছিলেন আতিক। বড় মগবাজারের ১৮০/৩ নয়াটলায় থাকতেন তিনি। পথে ঢাকা-টঙ্গী ডাইভারশন রোডের মগবাজার রেল ক্রসিংয়ের মোড়ে কয়েকজন আতিকের মোটরসাইকেলের গতিরোধ করে পেটে দুটি গুলি করে। পরে ফাঁকা গুলি ছুড়তে ছুড়তে মোটরসাইকেল নিয়ে পালিয়ে যায় তারা। এ সময় তাকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হলে রাত সাড়ে ১০টার দিকে মারা যান আতিক।

পরদিন ১৪ ফেব্রুয়ারি আতিকের বড় ভাই আবু বক্কর সিদ্দিক রমনা থানায় হত্যা মামলা করেন। পুলিশ পরিদর্শক (ডিবি) আবুল খায়ের ৯ আগস্ট ২০০৯ সালে আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। ২০১০ সালের ৬ অক্টোবর আদালতে চারজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হয়।

এফএইচ/এএইচ/পিআর