আপিল বিভাগের এজলাস কক্ষে ৮টি সিসি ক্যামেরা

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৫:২২ পিএম, ১০ ডিসেম্বর ২০১৯

প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বাধীন দেশের সর্বোচ্চ আদালত সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের এক নম্বর এজলাস কক্ষে ক্লোজ সার্কিট (সিসি) ক্যামেরা বসানোর কাজ শুরু হয়েছে।

মঙ্গলবার সন্ধ্যার পর আপিল বিভাগের এক নম্বর কোর্টের এজলাস কক্ষে ক্যামেরা বসানোর কাজ শুরু হয়। এই কাজ চলবে গভীর রাত পর্যন্ত। পুরো এজলাস কক্ষ ক্যামেরার আওতায় আনতে আটটি সিসি ক্যামেরা বসানো হবে।

সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসনের অনুমতি নিয়ে ইলেকট্রিশিয়ানরা মঙ্গলবার দুপুরের পর থেকে সিসি ক্যামেরা বসানোর কাজের প্রক্রিয়া শুরু হয়।
খালেদা জিয়ার জামিন শুনানিকে কেন্দ্র করে আদালতে আইনজীবীদের সংঘটিত হট্টগোলের আপিল বিভাগের এজলাস কক্ষে সিসি ক্যামেরার স্থাপনের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন সোমবার (৯ ডিসেম্বর) এক সভায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।
আপিল বিভাগ ছাড়াও হাইকোর্ট বিভাগের যে সব স্থানে বসানো সিসি ক্যামেরা অকার্যকর সেগুলো কার্যকর করারও সিদ্ধান্ত হয় বৈঠকে।

গত ৫ ডিসেম্বর বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার জামিন আবেদনের শুনানিকে কেন্দ্র করে আপিল বিভাগে ব্যাপক হট্টগোল হয়। যা স্বাধীনতার পর সর্বোচ্চ আদালতে এমন ঘটনাকে নজিরবিহীন বলে উল্লেখ করেছেন স্বয়ং প্রধান বিচারপতি। ঘণ্টার পর ঘণ্টা হট্টগোলে বন্ধ ছিল আপিল বিভাগের বিচার কাজ। এ অবস্থায় ১২ ডিসেম্বর (বৃহস্পতিবার) খালেদার জামিন শুনানির জন্য দিন ঠিক করা রয়েছে।

আদালতে আপিল বিভাগের এজলাস কক্ষে ক্লোজ সার্কিট (সিসি) ক্যামেরা লাগানোর সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসনের সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন রাষ্ট্রের প্রধান আইন কর্মকর্তা অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম ও খালেদা জিয়ার আইনজীবী অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন। তারা বলেন, প্রধান বিচারপতির এই উদ্যোগকে স্বাগত জানাই, অভিনন্দন জানাই।

এ ঘটনায় সারাদেশে সব মহলে তীব্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়। এ অবস্থায় আপিল বিভাগের এক নম্বর বেঞ্চে সিসি ক্যামেরা বসানোর সিদ্ধান্ত নেয় সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসন।

এফএইচ/জেএইচ/এমকেএইচ