তারেকসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে মামলা : প্রতিবেদন ২৩ এপ্রিল

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৩:৪৩ পিএম, ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২০
ফাইল ছবি

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে হত্যার হুমকির অভিযোগে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের সময় পিছিয়ে আগামী ২৩ এপ্রিল ধার্য করেছেন আদালত।

মঙ্গলবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) এ মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য দিন ধার্য ছিল। কিন্তু হাতিরঝিল থানা পুলিশ প্রতিবেদন দাখিল না করায় ঢাকা মহানগর হাকিম সত্যব্রত সিকদার প্রতিবেদন দাখিলের জন্য নতুন এ দিন ধার্য করেন। আদালতের পেশকার আরিফ হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

এর আগে ২ জানুয়ারি ঢাকা মহানগর হাকিম সত্যব্রত সিকদারের আদালতে মামলাটি করেন বাংলাদেশ জননেত্রী পরিষদের সভাপতি এ বি সিদ্দিকী। ৫ জানুয়ারি আদালত হাতিরঝিল থানা পুলিশকে তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন।

মামলায় অন্য আসামিরা হলেন- বিএনপির ঢাকা মহানগর উত্তরের ভাইস চেয়ারম্যান রবিউল আউয়াল সোহেল, জামায়াত নেতা আফজাল হোসেন, মুজিবুর রহমান, আব্দুল করিম, দিদারুল ইসলাম, জাকির হোসেন, আব্দুল হালীম, সাদ্দাম হোসেন, আব্দুল্লাহ, মো. মজিবুর রহমান শেকু।

মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, গত ২৭ ডিসেম্বর আসামিরা বাদীর বাসার ঠিকানা সংগ্রহের জন্য মিরপুর-১ নম্বরে মুক্তি প্লাজার অফিসে যায়। অফিসে বাদী না থাকায় তার অফিস স্টাফদের জিজ্ঞাসা করে তাদের ‘বস’ কোথায় এবং বাদীর বাসার ঠিকানা দেয়ার জন্য অফিসের স্টাফদের বলা হয়।

বাসার ঠিকানা দিতে অস্বীকৃতি জানালে আসামিরা স্টাফদের বলে, ‘তার সঙ্গে আমাদের অনেক বোঝাপড়া আছে। তার বাসা হাতিরঝিল প্রজেক্ট এলাকায়। তবে বাসার ঠিকানা জানি না। আমরা তাকে ধরে আনতে গিয়েছিলাম কিন্তু পেলাম না। তোমরাও ঠিকানা দিলে না। তবে তোর বসকে বলে দিবি আমাদের বিরুদ্ধে গত ১০ তারিখ যে মামলা করেছে সে মামলাসহ আমাদের মা বেগম খালেদা জিয়াসহ নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে যতগুলো মামলা আছে আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে সব মামলা প্রত্যাহার করে নিতে হবে। তা না হলে আবার আমরা তার এলাকায় গিয়ে ঠিকানা খুঁজে বের করে ওকে বাড়িসহ বোমা মেরে উড়িয়ে দেব।’

মামলার বাদী এ বি সিদ্দিকী বলেন, মামলার আসামিরা সবাই তারেক রহমানের গুন্ডা বাহিনী। তারেক রহমান লন্ডনে বসে তাদের নির্দেশ দিয়েছে। তারা আমাকে ও বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে হত্যার হুমকি দিয়েছে।

জেএ/এমএফ/এমএস