পর্দা কেলেঙ্কারি : দুই আসামির জামিন হয়নি হাইকোর্টেও

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৬:৩২ পিএম, ১৯ মে ২০২০

ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আলোচিত পর্দা কেলেঙ্কারির ঘটনায় দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) করা মামলায় আসামি আবদুল্লাহ আল মামুন ও মুন্সী সাজ্জাদ হোসেনকে জামিন দেননি হাইকোর্ট।

মঙ্গলবার (১৯ মে) হাইকোর্টের বিচারপতি জাহাঙ্গীর হোসেনের ভার্চুয়াল বেঞ্চ তাদের জামিন নামঞ্জুর করে আদেশ দেন।

আদালতে আজ জামিন আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী এএম আমিন উদ্দিন ও আইনজীবী মোহাম্মদ সাইফুল্লাহ মামুন। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম ও ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল বিশ্বজিৎ দেবনাথ, ড. মো. বশির উল্লাহ ও এ কে এম আমিন উদ্দিন। দুদকের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী শাহীন আহমেদ।

এর আগে ২০১৯ সালের ২৭ নভেম্বর পর্দা কেলেঙ্কারির ঘটনায় দুদকের পক্ষ থেকে মামলা করা হয়। ফরিদপুরের জেলা ও দায়রা জজ আদালতে মামলাটি করেন দুদকের প্রধান কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মামুনুর রশীদ চৌধুরী।

মামলায় আসামি করা হয় সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারসহ হাসপাতালে সে সময়ে দায়িত্বে থাকা ব্যক্তিদের। আসামিরা হলেন, মেসার্স অনিক ট্রেডার্সে স্বত্বাধিকারী আবদুল্লাহ আল মামুন, মেসার্স আহমেদ এন্টারপ্রাইজের স্বত্বাধিকারী মুন্সী ফররুখ আহমেদ, জাতীয় বক্ষব্যাধী হাসপাতালের প্রশাসনিক কর্মকর্তা মুন্সী সাজ্জাদ হোসেন, ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সাবেক তত্বাবধায়ক ডা. গনপতি বিশ্বাস শুভ, ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের কনসালটেন্ট ডা. মিনাক্ষী চাকমা এবং ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সাবেক প্যাথলজিস্ট ডা. এ এইচ এম নুরুল ইসলাম।

মামলার আর্জিতে বলা হয়, অসৎ উদ্দেশ্যে ক্ষমতার অপব্যবহার করে পরস্পরের যোগসাজশে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজের জন্য অপ্রয়োজনীয় এবং অবৈধভাবে প্রাক্কলন ব্যতিত উচ্চমূল্যে হাসপাতালের যন্ত্রপাতি ক্রয়ের মাধ্যমে সরকারের ১০ কোটি টাকা আত্মসাতের চেষ্টা করেন।

মামলার দুই আসামি মেসার্স অনিক ট্রেডার্সের স্বত্বাধিকারী আবদুল্লাহ আল মামুন ও জাতীয় বক্ষব্যাধী হাসপাতালের প্রশাসনিক কর্মকর্তা মুন্সী সাজ্জাদ হোসেন নিম্ন আদালতে জামিন না পেয়ে উচ্চ আদাল হাইকোর্টে জামিন আবেদন করেন। উচ্চ আদালতও আজ তাদের জামিন আবেদন খারিজ করে দিলেন।

এফএইচ/জেডএ/এমএস