হালদায় ডলফিন ও জীববৈচিত্র্য রক্ষায় কমিটি করে দিলেন হাইকোর্ট

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৮:৫১ পিএম, ১৯ মে ২০২০

হালদা নদীর জীববৈচিত্র এবং কার্পজাতীয় মা মাছ ও ডলফিন রক্ষায় স্থানীয় প্রশাসন, জনপ্রতিনিধিদের অংশীদারিত্বে একটি কমিটি গঠন করে দিয়েছেন হাইকোর্ট।

আদালত বলেছেন, কমিটিতে হালদা নদী এলাকার সংসদ সদস্যরা উপদেষ্টা হিসেবে কাজ করবেন। কমিটির নেতৃত্বে থাকবেন চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক।

মঙ্গলবার (১৯ মে) বিচারপতি ওবায়দুল হাসানের ভার্চ্যুয়াল কোর্ট এই আদেশ দেন।

সরকারের বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তার সমন্বয়ে ১৪ সদস্যবিশিষ্ট এই কমিটির সভাপতি হবেন চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক। কমিটির সদস্য থাকবেন জেলা পুলিশ সুপার, চট্টগ্রামের নৌ পুলিশ, কোস্টগার্ড,পরিবেশ অধিদফতর,জেলা মৎস্য কর্মকর্তা,পানি উন্নয়ন বোর্ডের একজন করে প্রতিনিধি, হাটহাজারী, ফটিকছড়ি, বোয়ালখালী, রাউজান, রামগড় ও মানিকছড়ির উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের মেরিন সায়েন্স অ্যান্ড ফিশারিজ অনুষদের প্রতিনিধি, জেলা প্রশাসকের মনোনীত দুইজন হালদা গবেষক ও দুইজন এনজিও প্রতিনিধি, নদী তীরবর্তী উপজেলা চেয়ারম্যানরা।

কমিটির সদস্য সচিব থাকবেন বন্যপ্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা। পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত কমিটি কার্যক্রম চালাবেন বলে আদেশে উল্লেখ করা হয়।

এর আগে ব্যারিস্টার আব্দুল কাইয়ুম লিটনের এক রিট আবেদনের শুনানি নিয়ে ১২ মে চট্টগ্রাম জেলার রাউজান উপজেলার হালদা নদী থেকে আর একটিও ডলফিন কেউ যেন শিকার বা হত্যা করতে না পারে সে বিষয়ে বিনা ব্যর্থতায় ব্যবস্থা নিতে সরকারকে নির্দেশ দেন উচ্চ আদালত।

এ বিষয়ে বিবাদীরা কী ব্যবস্থা নিয়েছেন তা আদেশ প্রাপ্তির ৭২ ঘণ্টার মধ্যে ইমেইলযোগে উচ্চ আদালতকে জানাতে বলা হয়।

এ আদেশ অনুযায়ী আদালতে প্রতিবেদন জমা দেন সংশ্লিষ্ট বিবাদীরা। আদালতে রাষ্ট্রপক্ষের শুনানিতে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল সমরেন্দ্র নাথ বিশ্বাস ও অমিত তালুকদার।

অমিত তালুকদার বলেন, আদালতের আদেশ মোতাবেক পরিবেশ অধিদফতরের মহাপরিচালক এবং চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক একটি প্রতিবেদন দেন। সেখানে তারা বলেন, হালদার জীব বৈচিত্র রক্ষায় কাজ করছেন তারা। তবে একটি কমিটি করে দিলে ওই কাজ আরও বেগবান হবে। এরপর আদালত এ কমিটি করে দিয়ে ২৮ মে পরবর্তী আদেশের জন্য দিন ধার্য করেন।

এফএইচ /জেডএ/পিআর