সজীব বিল্ডার্সের মালিক হত্যা : স্ত্রীর বড় ভাইয়ের দায় স্বীকার

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৭:১৭ পিএম, ০৯ আগস্ট ২০২০

রাজধানীর ভাটারা থানাধীন বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় কনস্ট্রাকশন কোম্পানি সজীব বিল্ডার্সের মালিক আবুল খায়েরকে পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় স্ত্রীর বড় ভাই মো. মিলন দায় স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছেন।

ঢাকা মহানগর হাকিম নিভানা খায়ের জেসির আদালতে তিনি ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন।

রোববার (৯ আগস্ট) ভাটারা থানার আদালতের সাধারণ নিবন্ধন কর্মকর্তা পুলিশের উপ-পরিদর্শক মাজহারুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, শনিবার মিলনকে ঢাকা মহানগর হাকিম আদালতে হাজির করে পুলিশ। এ সময় তিনি স্বেচ্ছায় হত্যার দায় স্বীকার করে জবানবন্দি দিতে সম্মত হন। পরে তা রেকর্ডের আবেদন করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ভাটারা থানার উপ-পরিদর্শক হাসান মাসুদ।

আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বিচারক তার জবানবন্দি রেকর্ড করেন। এরপর বিচারক তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

এর আগে শনিবার দুপুরে বসুন্ধরা এলাকা থেকে অভিযুক্ত মিলনকে গ্রেফতার করা হয়।

উল্লেখ্য, গত বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে বাসা থেকে ডেকে নিয়ে রাজধানীর ভাটারা থানাধীন বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় কনস্ট্রাকশন কোম্পানি সজীব বিল্ডার্সের মালিক আবুল খায়েরকে পিটিয়ে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা।

পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় তাকে ফোনে কেউ একজন বাসা থেকে ডেকে নেয়ার পর রাতে আর ফেরেননি। উদ্বিগ্ন পরিবার বিভিন্ন জায়গায় সন্ধান করেও তার খবর পায়নি। পরে রাতে ভাটারা থানাকে বিষয়টি অবহিত করা হয়।

৭ আগস্ট সকালে পুলিশ তার লাশ উদ্ধার করে। পুলিশ ও স্বজনরা জানান, আবুল খায়ের বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার এফ ব্লকের ২১ নম্বর সড়কের ৬৯২ নম্বর জালাল গার্ডেনের বাসায় পরিবার নিয়ে বসবাস করতেন।

জমি নিয়ে তার সঙ্গে একটি পক্ষের ঝামেলা চলছিল। ৬ আগস্ট রাতে অজ্ঞাত ব্যক্তিরা তাকে বিষয়টি সমাধানের জন্য বাসা থেকে ডেকে নিয়ে যায়। রাতে তিনি বাসায় না ফেরায় স্ত্রী ও স্বজনরা বিষয়টি ভাটারা থানা পুলিশকে জানায়। কিন্তু রাতে তার সন্ধান মেলেনি। সকালে পুলিশ বসুন্ধরার এ ব্লকের একটি নির্মাণাধীন ভবন থেকে তার লাশ উদ্ধার করে।

জেএ/এমএআর/এমকেএইচ

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]