ব্যবসায়ী আজিজ হত্যা : একজনের মৃত্যুদণ্ড, আরেকজনের যাবজ্জীবন

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ১২:০৫ পিএম, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২০

রাজধানীর লালবাগের ব্যবসায়ী আব্দুল আজিজ চাকলাদার ওরফে ঢাকাইয়া আজিজ হত্যা মামলায় একজনের মৃত্যুদণ্ড ও আরেকজনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত।

সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৯ এর বিচারক শেখ হাফিজুর রহমান এ রায় ঘোষণা করেন।

মামলায় আসামি জয়নাল সরকারের মৃত্যুদণ্ড ও রুস্তম আলীর যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের আদেশ দেন আদালত। এছাড়াও অপর দুই আসামি ফারুক ও ইদ্রিসের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় তাদের বেকসুর খালাস প্রদান করেন।

মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, মাকসুদ ও আমানুল্লাহ নামে দুজন ব্যক্তির সঙ্গে ভাঙা কাঁচের ব্যবসা করতেন আব্দুল আজিজ চাকলাদার। তারা আজিজের কাছে ব্যবসায়িক কারণে ২৫ হাজার টাকা পেতেন। টাকা লেনদেনের কারণে তাদের মধ্যে কথাকাটাকাটি ও ঝগড়া হয়। ১৯৯৮ সালের ৫ মার্চ আজিজকে খুঁজে না পেয়ে ছোট ভাই বাচ্চু মিয়া লালবাগ থানায় একটি জিডি করেন। ১২ দিন পর মাকসুদ ও আমানুল্লাহর বিরুদ্ধে লালবাগ থানায় অপহরণ মামলা করেন বাচ্চু মিয়া।

২০০০ সালের ৪ এপ্রিল লালবাগ থানার তৎকালীন এসআই মো. আব্দুর রাকিব খান সাতজনকে অভিযুক্ত করে চার্জশিট দাখিল করেন। চার্জশিটভুক্ত আসামিরা হলেন- খুলনার শীর্ষ সন্ত্রাসী এরশাদ শিকদার, লস্কর মো. লিয়াকত, মো. নূরে আলম, ইদ্রিস জামাই, জয়নাল, জামাই ফারুক ও মো. রুস্তম আলী।

চার্জশিটভুক্ত সাত আসামির মধ্যে এরশাদ শিকদারের অন্য মামলায় ২০০৪ সালের ১০ মে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়। অপর আসামি লস্কর মো. লিয়াকত বিচার চলাকালে মারা যাওয়ায় তাকে অভিযোগ থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়।

২০০০ সালের দিকে এ মামলার চার্জ গঠন করা হয়। মামলাটিতে ১৯ জন সাক্ষীর মধ্যে রাজসাক্ষী হিসেবে নূরে আলমসহ সাতজনের সাক্ষ্যগ্রহণ করেন আদালত।

জেএ/বিএ/জেআইএম

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]