চট্টগ্রাম ওয়াসার এমডির বিষয়ে দুদকের পদক্ষেপ কী, প্রশ্ন হাইকোর্টের

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৯:২২ পিএম, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২০

চট্টগ্রাম ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) প্রকৌশলী এ কে এম ফজলুল্লাহর বিরুদ্ধে অনিয়ম-দুর্নীতি স্বজনপ্রীতির অনুসন্ধান চেয়ে করা অভিযোগের বিষয়ে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) কী পদক্ষেপ নিয়েছে- তা জানতে চেয়েছেন হাইকোর্ট। আগামী এক মাসের মধ্যে তা জানাতে দুদকের সংশ্লিষ্টদেরকে এই নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।

এ দুর্নীতির অভিযোগ অনুসন্ধান ও তদন্তে বিবাদীদের নিষ্ক্রিয়তা চ্যালেঞ্জ করে চট্টগ্রামের কোতোয়ালী থানার বাসিন্দা মো. হাসান আলীর করা রিট আবেদনের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) হাইকোর্টের বিচারপতি এম. ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এই আদেশ দেন।

আদালতে আজ রিট আবেদনের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী মো. ইকরাম উদ্দিন খান চৌধুরী। দুদকের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী মো. নওশের আলী মোল্লা।

আইনজীবী মো. ইকরাম উদ্দিন খান চৌধুরী বলেন, চট্টগ্রাম ওয়াসার এমডির বিষয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমে দুর্নীতির বিভিন্ন অভিযোগ ওঠে। এরপর এক গ্রাহক চট্টগ্রামের মোমিন রোডের বাসিন্দা হাসান আলী এসব উল্লেখ করে ১১ সেপ্টেম্বর দুদকের চট্টগ্রাম বিভাগীয় পরিচালক বরাবরে ‘চট্টগ্রাম ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালক এ কে এম ফজলুল্লাহর গুরুতর দুর্নীতি, অনিয়ম ও স্বজনপ্রীতি প্রসঙ্গে অভিযোগ’ শীর্ষক একটি অভিযোগ দেন। কিন্তু কোনো সাড়া না পেয়ে তিনি হাইকোর্টে রিট করেন।

তিনি বলেন, এমডির বিরুদ্ধে যেসব অভিযোগ উঠেছে, সেসব অভিযোগের বিষয়ে দুদক কী পদক্ষেপ নিয়েছে- তা জানতে একমাস সময় দিয়েছেন। সে পর্যন্ত রিট আবেদনটির শুনানিও স্ট্যান্ডওভার (মুলতবি) রেখেছেন।

দুদকের আইনজীবী মো. নওশের আলী মোল্লা বলেন, ইতোমধ্যে আদালতের আদেশের বিষয়টি ফ্যাক্স করে চট্টগ্রাম দুদকের বিভাগীয় কার্যালয়কে জানিয়ে দেয়া হয়েছে।

আদেশের বিষয়ে আইনজীবীরা জানান, চট্টগ্রাম ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) এ কে এম ফজলুল্লাহর বিরুদ্ধে দুর্নীতিসহ বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ অনুসন্ধান চেয়ে করা আবেদনের বিষয়ে কি পদক্ষেপ নিয়েছে- তা জানতে চেয়েছেন হাইকোর্ট। এ বিষয়ে এক মাসের মধ্যে জানতে চেয়ে রিট আবেদনটি স্ট্যান্ডওভার (মুলতবি) রাখেন।

রিট আবেদনে চট্টগ্রাম ওয়াসার বিষয়ে বিভিন্ন সময়ে পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদ যুক্ত করা হয়।

রিট আবেদনে বিবাদী করা হয়েছে, এলজিআরডি সচিব, জনপ্রশাসন সচিব, চট্টগ্রাম ওয়াসা, চট্টগ্রাম ওয়াসা বোর্ড, চট্টগ্রাম ওয়াসার এমডি প্রকৌশলী এ কে এম ফজলুল্লাহ, দুর্নীতি দমন কমিশন এবং দুর্নীতি দমন কমিশনের বিভাগীয় পরিচালককে।

রিট আবেদনে একেএম ফজলুল্লাহর বিরুদ্ধে অভিযোগের বিষয়ে কোনো পদক্ষেপ না নেয়ায় দুদকের নিষ্ক্রিয়তা এবং পুনরায় নিয়োগের ওয়াসা বোর্ডের সিদ্ধান্ত চ্যালেঞ্জ করে এ রিট আবেদন করা হয়।

এফএইচ/এফআর/পিআর

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]