ফরিদপুরে জোড়া খুন : ২ আসামির খালাস, একজনের যাবজ্জীবন

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৭:৩৫ পিএম, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২০

জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে ফরিদপুরের চর টেপাখোলা মুন্সীডাঙ্গী গ্রামের শামসুল হক মীর দম্পতি হত্যা মামলায় তিন আসামির দুজনকে দণ্ড থেকে খালাস দিয়েছেন হাইকোর্ট। পূর্বের রায়ে এদের একজন মুত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ও অন্যজন যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্ত হয়েছিলেন। এছাড়া মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি সুজন ব্যাপারীকে যাবজ্জীবন দণ্ড দিয়ে রায় ঘোষণা করেছেন উচ্চ আদালত।

খালাসপ্রাপ্তরা হলেন- নজরুল ইসলাম ও মীর মো. তানভীর ওরফে খসরু।

রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) বিচারপতি কৃষ্ণা দেবনাথ ও বিচারপতি এ এস এম আব্দুল মোবিন এ রায় দেন।

আদালতে আজ আসামিপক্ষের শুনানিতে ছিলেন সৈয়দ মিজানুর রহমান। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল শাহীন আহমেদ খান।

শাহীন আহমেদ খান সাংবাদিকদের জানান, এ রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করা হবে। আপিলের জন্য নোট দেয়া হয়েছে।

২০১৫ সালের ১২ মে জোড়া খুনের জন্য ঢাকার ৪ নম্বর দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক এ বি এম নিজামুল হক দুজনকে মৃত্যুদণ্ড এবং একজনকে যাবজ্জীবন দণ্ড দিয়ে রায় ঘোষণা করেন।

এ রায়ের বিরুদ্ধে আসামিদের আপিল এবং ডেথ রেফারেন্সের অনুমোদনের জন্য হাইকোর্টে আসে। দীর্ঘ শুনানি শেষে আজ এ রায় ঘোষণা করেন আদালত।

মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০১৩ সালের ২৬ অক্টোবর ফরিদপুর শহরতলীর চর টেপাখোলার মুন্সীডাঙ্গী গ্রামের মালত পাড়ায় শামসুল হক মীর মালত (৭০) ও তার স্ত্রী নারগিছ নাহার বেগম ওরফে শেলী (৬০) নামের এক বৃদ্ধ দম্পতিকে গলা কেটে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা।

এ ঘটনায় নিহতের একমাত্র ছেলে কামরুল আহসান মাসুদ বাদী হয়ে ফরিদপুর কোতোয়ালী থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। ওই বছরের ১৭ নভেম্বর আসামিদের গ্রেফতার করে পুলিশ।

মৃত শামসুল হক মীর মালত আভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন সংস্থার (বিআইডাব্লিওটিএ) অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ছিলেন।

এফএইচ/এফআর/এমকেএইচ

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]