সাবেক এমপি আউয়ালের জামিন স্থগিতের শুনানি আজ

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৩:০০ এএম, ১৯ অক্টোবর ২০২০
ফাইল ছবি

পিরোজপুর-১ আসনের সাবেক সাংসদ এ কে এম এ আউয়াল ও তার স্ত্রী লায়লা পারভীনের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলায় হাইকোর্টের দেয়া আগাম জামিন স্থগিত চেয়ে দুদকের করা আপিল আবেদনের শুনানির আজ। মামলাটি করেছিল দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

সোমবার (১৯ অক্টোবর) প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের সমন্বয়ে গঠিত আপিল বিভাগের বেঞ্চে (ভার্চুয়াল) এ বিষয়ে শুনানির কথা রয়েছে। সে হিসেবে সোমবার মামলাটি সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের (কজলিস্টে) কার্যতালিকায় রয়েছে।

এর আগে গত ১৫ অক্টোবর আপিল বিভাগের চেম্বারজজ আদালত এ বিষয়ে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ ভার্চুয়াল বেঞ্চে শুনানির জন্যে আজ ১৯ অক্টোবর দিন ধার্য করেন।

আগাম জামিন স্থগিত চেয়ে দুদকের করা আপিল আবেদনের ওপর শুনানি নিয়ে বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) আপিল বিভাগের বিচারপতি মো. নুরুজ্জামানের চেম্বার জজ আদালত এই আদেশ দেন। আদালতে ওইদিন দুদকের পক্ষে আইনজীবী ছিলেন- অ্যাডভোকেট খুরশীদ আলম খান। অন্যদিকে আউয়াল দম্পতির পক্ষে ছিলেন- আওসাফুর রহমান বুলু।

অবৈধভাবে সম্পদ অর্জনের অভিযোগের মামলায় আউয়াল ও তার স্ত্রী লায়লাকে গত ৫ অক্টোবর চার সপ্তাহের আগাম জামিন মঞ্জুর করে আদেশ দেন হাইকোর্ট। একইসঙ্গে, এ সময় পর তাদের নিম্ন আদালতে আত্মসমর্পণের নির্দেশ দেয়া হয়।

আউয়াল দম্পতির বিরুদ্ধে অবৈধভাবে সম্পদ অর্জন করার অভিযোগে চলতি বছরের ৩০ সেপ্টেম্বর দুদকের ঢাকা সমন্বিত জেলা কার্যালয়-১ এ পৃথক দুটি মামলা করা হয়।
আউয়ালের বিরুদ্ধে করা মামলার অভিযোগে বলা হয়, তিনি অবৈধভাবে ৩৩ কোটি ২৭ লাখ ৮৯ হাজার ৭৫৫ টাকার সম্পদের মালিক হয়েছেন। তবে তিনি দুদকে দাখিল করা সম্পদের বিবরণীতে ১৫ কোটি ৭২ লাখ ৪৮ হাজার ৪৩ টাকার সম্পদের তথ্য গোপন করেছেন।

তার স্ত্রী লায়লা পারভীনের বিরুদ্ধে করা মামলার অভিযোগে বলা হয়, তিনি অবৈধভাবে ১০ কোটি ৯৮ লাখ ৯০ হাজার ৫০ টাকার সম্পদ অর্জন করেছেন।

এর আগে ২০১৯ সালের ৩০ ডিসেম্বর দুদক বরিশালে আউয়ালের বিরুদ্ধে আরও তিনটি মামলা করা হয়। এর মধ্যে একটি মামলায় তার স্ত্রীকেও আসামি করা হয়। এসব মামলায় আউয়াল দম্পতি জামিনে রয়েছেন। এ মামলায় গত ৭ জানুয়ারি আউয়াল দম্পতি পিরোজপুর আদালতে হাজির হয়ে ৮ সপ্তাহের জামিন নেন। এই জামিন শেষ হলে গত ৩ মার্চ তারা জেলা ও দায়রা জজ মো. আব্দুল মান্নানের আদালতে হাজির হয়ে জামিনের আবেদন করেন।

আদালত তাদের আবেদন খারিজ করে কারাগারে পাঠানো আদেশ দেন। এই আদেশের পরপরই ওই জেলা জজকে বদলি করা হয়। এরপর ওইদিন বিকেলেই ফের জামিন আবেদন করেন আউয়াল দম্পতি। এ আবেদনে ভারপ্রাপ্ত জেলা জজ (যুগ্ম জেলা জজ) নাহিদ নাসরিন তাদের জামিন মঞ্জুর করেন।

আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে আউয়াল ২০০৮ সাল ও ২০১৪ সালে পিরোজপুর-১ আসন থেকে এমপি নির্বাচিত হন।

এফএইচ/এফআর

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]