বিজিবি ও বিমান বাহিনীর ১০৫ মুক্তিযোদ্ধার গেজেট বাতিলের আদেশ বহাল

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৮:০৭ পিএম, ২২ নভেম্বর ২০২০

বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) এবং বিমানবাহিনীর কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মুক্তিযোদ্ধা গেজেট বাতিল করে জারি করা প্রজ্ঞাপনের বিষয়ে হাইকোর্টের দেয়া স্থগিতাদেশের ওপর স্থিতাবস্থা দিয়েছেন আপিল বিভাগের চেম্বারজজ আদালত।

হাইকোর্টের দেয়া আদেশের বিরুদ্ধে মুক্তিযোদ্ধা মন্ত্রণালয়ের করা আবেদনের শুনানি নিয়ে রোববার (২২ নভেম্বর) আপিল বিভাগের বিচারপতি মো. নূরুজ্জামানের চেম্বারজজ আদালত এই আদেশ দেন।

আদালতে আজ আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন- ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল সমরেন্দ্রনাথ বিশ্বাস ও তুষার কান্তি রায়। রিট আবেদনকারীদের পক্ষে ছিলেন- আইনজীবী আহসানুল করীম। সঙ্গে ছিলেন- আইনজীবী মো. আব্দুল কাইয়ূম। দুই বাহিনীর ১০৫ জনের মধ্যে একজন বিমান বাহিনীর বেসামরিক কর্মচারী এবং বাকিরা বিজিবির সদস্য।

এ বিষয়ে আইনজীবী মো. আব্দুল কাইয়ূম বলেন, এই আদেশের ফলে হাইকোর্টের দেয়া আদেশটিই বহাল থাকছে। আদালত স্থিতাবস্থা দেয়ার সঙ্গে সঙ্গে আগামী বছরের ২৯ জুলাই আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চে পাঠানোর আদেশ দেন।

আইনজীবীরা জানান, ৭ জুন এক হাজার ১৩৪ জন বিজিবি সদস্যের গেজেট বাতিল করে সরকার। ওই গেজেটে বলা হয়, জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল আইন ২০০২ এর ৭ (ঝ) ধারা অনুযায়ী জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিলের সুপারিশের পরিপ্রেক্ষিতে রুলস অব বিজনেস ১৯৯৬-এর শিডিউল-১ এর তালিকা ৪১-এর ৫ নম্বর ক্রমিকে প্রদত্ত ক্ষমতাবলে জামুকার ৬৬তম সভার সিদ্ধান্ত মোতাবেক স্বাধীনতা যুদ্ধের পর (১৬ ডিসেম্বর ১৯৭১ সালের) বর্ডার গার্ড বাংলাদেশে যোগদানকৃত মুক্তিযোদ্ধাদের এক হাজার ১৩৪ জনের নামে প্রকাশিত গেজেট বাতিল করা হলো।

একইদিন বিমানবাহিনীর ৪৭ জন কর্মকর্তা-কর্মচারীর মুক্তিযোদ্ধা গেজেট বাতিল করে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।

এর বিরুদ্ধে পৃথক রিট আবেদন করেন সংক্ষুব্ধরা। তখন হাইকোর্ট প্রজ্ঞাপনের ওপর স্থগিতাদেশ দিয়ে ভাতা দিতে নির্দেশ দেন। এর বিরুদ্ধে মুক্তিযোদ্ধা মন্ত্রণালয় আপিল বিভাগের চেম্বারজজ আদালতে আবেদন করেন। একইসঙ্গে, আদালত স্থিতাবস্থা দেয়ার সঙ্গে সঙ্গে আগামী বছরের ২৯ জুলাই আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চে পাঠানোর আদেশ দেন।

এফএইচ/এফআর/পিআর

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]