বিচার বিভাগে আশার আলো দেখছেন ইশরাক

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৩:৩২ পিএম, ২৩ নভেম্বর ২০২০

দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) করা মামলায় ঢাকা সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র সাদেক হোসেন খোকার ছেলে ও বিএনপি নেতা ইশরাক হোসেন খালাস পেয়েছেন।

রায় ঘোষণার পর ইশরাক হোসেন বলেন, ‘আজকে আদালত একটি যুগান্তকারী রায় দিয়েছেন। এর মাধ্যমে আমরা বিচার বিভাগে আশার আলো দেখতে পাচ্ছি। ২০০৮ সালে আমি ছাত্র থাকাকালীন তখনকার অবৈধ সরকার এই মামলা করে।

তিনি আরও বলেন, গত ১৩ বছর ধরে বিচার বিভাগকে দলীয়করণ, বিচারবিভাগকে বিরোধী রাজনৈতিক দলকে দমনের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে, যা এতদিন আমরা বলে আসছি। সেই জায়গায় আমি বলব আজকে জনগণের বিজয় হয়েছে, দেশবাসীর বিজয় হয়েছে।

সোমবার ঢাকার ৪ নম্বর বিশেষ জজ আদালতের বিচারক শেখ নাজমুল আলম এ রায় ঘোষণা করেন। অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় ইশরাক হোসেনকে খালাস দিয়েছেন আদালত।

মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, ২০০৮ সালের ১ সেপ্টেম্বর ইশরাক হোসেন এবং তাদের ওপর নির্ভরশীল ব্যক্তিদের সম্পদের বিবরণী দুদকে দাখিলের নোটিশ দেয়া হয়। একই বছরের ৪ সেপ্টেম্বর দুদকের কনস্টেবল তালেব কমিশনের নোটিশটি জারি করতে তাদের বাসভবনে যান। কিন্তু ইশরাক হোসেন সেখানে উপস্থিত না থাকায় উপস্থিত চারজনের (সাক্ষী) সামনে বাসভবনের নিচতলায় প্রবেশ পথের বাম পাশের দেয়ালে স্কচটেপ দিয়ে ঝুলিয়ে নোটিশটি জারি করেন।

দুদকের দেয়া ৭ কার্যদিবসের মধ্যে ইশরাক হোসেন সম্পদের হিসাব নির্ধারিত ফরমে দাখিল করেননি। এ ঘটনায় ২০১০ সালের ২৯ আগস্ট রাজধানীর রমনা থানায় তার বিরুদ্ধে মামলা করেন দুদকের তৎকালীন সহকারী পরিচালক সামছুল আলম।

২০১৮ সালের ৬ ডিসেম্বর ঢাকা মহানগর হাকিম সত্যব্রত শিকদারের আদালতে ইশরাক হোসেনের বিরুদ্ধে চার্জশিট (অভিযোগপত্র) দাখিল করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা দুদকের উপ-পরিচালক জাহাঙ্গীর হোসেন।

২০২০ সালের ১৫ জানুয়ারি ইশরাকের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন আদালত। মামলায় ৮ সাক্ষীর মধ্যে বিভিন্ন সময় ছয়জন সাক্ষ্য দেন।

জেএ/জেএইচ/এমএস

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]