দীপন হত্যা মামলায় প্রথম তদন্ত কর্মকর্তার সাক্ষ্য শেষ

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৫:০৯ পিএম, ২৬ নভেম্বর ২০২০

জাগৃতি প্রকাশনীর স্বত্বাধিকারী ফয়সল আরেফিন দীপন হত্যা মামলায় সাক্ষ্য দিয়েছেন মামলার প্রথম তদন্তকারী কর্মকর্তা পুলিশের পরিদর্শক শাহিন ফকিরের সাক্ষ্য গ্রহণ শেষ হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৬ নভেম্বর) ঢাকার সন্ত্রাসবিরোধী বিশেষ ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. মজিবুর রহমানের আদালতে তাকে জেরা করেন আসামি পক্ষের আইনজীবীরা। আদালত পরবর্তী সাক্ষ্য গ্রহণের জন্য ৮ ডিসেম্বর দিন ধার্য করেন।

এর আগে ১৯ নভেম্বর আদালতে তিনি সাক্ষ্য (জবানবন্দি) দেন। এ দিন জেরা শেষ না হওয়ায় তার জেরা ও পরবর্তী সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য ২৬ নভেম্বর দিন ধার্য করেন আদালত। মামলায় ২৬ সাক্ষীর মধ্যে ২১ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হয়েছে।

২০১৫ সালের ৩১ অক্টোবর রাজধানীর শাহবাগে আজিজ সুপার মার্কেটের নিজ অফিসে জাগৃতি প্রকাশনীর স্বত্বাধিকারী ফয়সল আরেফিন দীপনকে কুপিয়ে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা। সেদিন বিকেলে তার স্ত্রী শাহবাগ থানায় একটি হত্যা মামলা করেন।

২০১৮ সালের ১৫ নভেম্বর সন্ত্রাসবিরোধী আইনে চার্জশিট (অভিযোগপত্র) দাখিল করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ডিবি দক্ষিণের সহকারী পুলিশ কমিশনার ফজলুর রহমান।
চার্জশিটে ৮ জনকে অভিযুক্ত ও ১১ জনকে অব্যাহতির সুপারিশ করা হয়।

২০১৯ সালের ১৩ অক্টোবর ঢাকার সন্ত্রাসবিরোধী ট্রাইব্যুনালের বিচারক মুজিবুর রহমান নিষিদ্ধ ঘোষিত জঙ্গি সংগঠন আনসারুল্লাহ বাংলা টিমের (এবিটি) সদস্য বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর চাকরিচ্যুত মেজর সৈয়দ জিয়াউল হকসহ ৮ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন।

অভিযুক্তরা হলেন- মইনুল হাসান শামীম (২৪), সাংগঠনিক নাম সিফাত ওরফে সামির ওরফে ইমরান, মো. আ. সবুর ওরফে আ. সামাদ ওরফে সুজন ওরফে রাজু ওরফে সাধ (২৩), খাইরুল ইসলাম ওরফে জামিল ওরফে রিফাত ওরফে ফাহিম ওরফে জিসান (২৪), মো. আবু সিদ্দিক সোহেল ওরফে সাজিদ ওরফে শাহাব (৩৪), মো. মোজাম্মেল হুসাইন ওরফে সায়মন ওরফে জুবায়ের ওরফে জায়েদ ওরফে জাবেদ ওরফে আবু ওমায়ের (২৫), সেনাবাহিনীর চাকরিচ্যুত মেজর সৈয়দ জিয়াউল হক ওরফে সাগর ওরফে ইশতিয়াক ওরফে বড় ভাই (৫০) এবং আকরাম হোসেন ওরফে হাসিব ওরফে আবির ওরফে আদনান ওরফে আব্দুল্লাহ।

জেএ/এফআর/এমকেএইচ

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]