গ্রামীণ টেলিকমের ফিরোজের বরখাস্ত স্থগিতের আদেশ আপিলেও বহাল

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৯:০৩ এএম, ০৪ ডিসেম্বর ২০২০

শান্তিতে নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ ড. মুহাম্মদ ইউনূসের প্রতিষ্ঠান গ্রামীণ টেলিকমের ট্রেড ইউনিয়নের সেক্রেটারি ফিরোজ মাহমুদ হাসানকে হাইকোর্টের দেয়া বরখাস্ত স্থগিতের আদেশ বহাল রেখেছেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ।

বৃহস্পতিবার (৩ ডিসেম্বর) প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বাধীন চার সদস্যের আপিল বিভাগের ভার্চুয়াল বেঞ্চ এ আদেশ দেন।
আদালতে ট্রেড ইউনিয়নের সেক্রেটারি ফিরোজ মাহমুদ হাসানের পক্ষে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল এএম আমিন উদ্দিন। তার সঙ্গে ছিলেন আইনজীবী মো. ইউসুফ আলী।

এর আগে গত ৫ নভেম্বর গ্রামীণ টেলিকমের ট্রেড ইউনিয়নের সেক্রেটারি ফিরোজ মাহমুদ হাসানের বরখাস্তের আদেশ স্থগিত করে আদেশ দিয়েছিলেন হাইকোর্ট। গ্রামীণ টেলিকম শ্রমিক কর্মচারী ইউনিয়নের নেতার পক্ষে করা আবেদন শুনানি নিয়ে হাইকোর্টের বিচারপতি মো. মজিবুর রহমান মিয়া ও বিচারপতি মহিউদ্দিন শামীমের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

হাইকোর্টের ওই স্থগিত আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করেন ড. মুহাম্মদ ইউনূসের প্রতিষ্ঠান গ্রামীণ টেলিকম। বৃহস্পতিবার তাদের আবেদন নাকচ করে দেয় আপিল বিভাগ। ফলে হাইকোর্টের দেয়া আদেশ বহাল থাকলো।

আইনজীবীরা জানান, শ্রমিক কর্মচারী ইউনিয়নের (বি-২১৯৪) সঙ্গে আলোচনা না করেই এক নোটিশের মাধ্যমে ৯৯ কর্মীকে ছাঁটাই করেছেন নোবেল বিজয়ী অর্থনীতিবিদ ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

গ্রামীণ টেলিকমের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. আশরাফুল হাসান স্বাক্ষরিত এক নোটিশের মাধ্যমে এ ছাঁটাই করা হয়েছে। এরপর এই নোটিশের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে আবেদন করা হয়।

উল্লেখ্য, বকেয়া পাওনা পরিশোধ না করায় ২০১৬ সালে প্রথম মামলা করেন গ্রামীণ টেলিকমের সাবেক ১৪ কর্মী। পরে বকেয়া পাওনা চেয়ে ড. মুহাম্মদ ইউনূসের বিরুদ্ধে ৯৩টি মামলা করে তার প্রতিষ্ঠিত কোম্পানি গ্রামীণ টেলিকমের বর্তমান কর্মীরা। ঢাকার শ্রম আদালতে সবমিলিঢে ১০৭টি মামলা করা হয়। এছাড়া প্রতিষ্ঠানটির সাবেক ১৪ কর্মী পাওনা টাকার জন্য আরও ১৪টি মামলা করেন।

এফএইচ/এমএসএইচ/এমএস

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]