চট্টগ্রামের অবৈধ ইটভাটা বন্ধে সময় বেঁধে দিলেন হাইকোর্ট

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৯:৫৬ পিএম, ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২১
চট্টগ্রামের সাতকানিয়ার একটি ইটভাটা : ফাইল ছবি

চট্টগ্রামের সব অবৈধ ইটভাটা বন্ধে ১৪ কর্মদিবস সময় বেঁধে দিয়েছেন হাইকোর্ট। চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসন ও পরিবেশ অধিদফতরকে এই নির্দেশনা বাস্তবায়ন করতে বলা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) হাইকোর্টের বিচারপতি মো. মজিবুর রহমান মিয়া ও বিচারপতি মো. কামরুল হোসেন মোল্লার দ্বৈত বেঞ্চ এ আদেশ দেন। আদালতে এদিন রিটের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট মনজিল মোরসেদ। অন্যদিকে রাষ্ট্রপক্ষে আইনজীবী ছিলেন সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল আশিক রুবায়েত। পরিবেশ অধিদফতরের পক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট সৈয়দ কামরুল হোসেন।

রিটকারী আইনজীবী মনজিল মোরসেদ সাংবাদিকদের বলেন, পরিবেশ ও মানবাধিকার সংগঠন হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশের (এইচআরপিবি) রিট আবেদনের শুনানি নিয়ে গত বছরের ১৪ ডিসেম্বর চট্টগ্রামের বিভিন্ন এলাকায় পরিবেশ অধিদফতরের অনুমোদন ছাড়া গড়ে ওঠা সব অবৈধ ইটভাটা ৭ দিনের মধ্যে বন্ধের নির্দেশ দিয়েছিলেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে যেসব ইটভাটা জ্বালানি হিসেবে কাঠ ও পাহাড়ের মাটি ব্যবহার করছে তাদের তালিকা দেয়ারও নির্দেশ দেন আদালত।

এরপর গত ৩১ জানুয়ারি এ বিষয়ে শুনানি নিয়ে চট্টগ্রামের যে ৭১টি অবৈধ ইটভাটায় এর আগে জরিমানা করা হয়েছিল, সেগুলোসহ সব অবৈধ ইটভাটা বন্ধ করে ১৮ ফেব্রুয়ারির মধ্যে চট্টগ্রাম প্রশাসন ও সেখানকার পরিবেশ অধিদফতরকে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়।

শুনানির নির্ধারিত দিনে অবৈধভাবে পরিচালিত সব ইটভাটা বন্ধে আবারও সময় প্রার্থনা করলে আদালত ১৪ কার্যদিবস সময় বেঁধে দিলেন। এ মামলার পরবর্তী শুনানির জন্য আগামী ১৪ মার্চ সময় নির্ধারণ করে দিয়েছেন আদালত।

মনজিল মোরসেদ আরও বলেন, ইট প্রস্তুত ও ভাটা স্থাপন (নিয়ন্ত্রণ) আইন, ২০১৩ (সংশোধিত) ২০১৯ এর ৪ ধারা অনুযায়ী, কোনো ইটভাটা লাইসেন্স ছাড়া চালানো যাবে না। এর ব্যত্যয় হলে আইনের ১৪ ধারা অনুসারে ২ বছরের কারাদণ্ডের বিধান রয়েছে। কিন্তু চট্টগ্রামের স্থানীয় প্রশাসনের নিষ্ক্রিয়তায় সেখানকার বিভিন্ন এলাকায় শত শত ইটভাটা চলছে এবং এতে মারাত্মক পরিবেশ দূষণ হচ্ছে। শুধু তাই নয় ১৮২টি ইটভাটা জ্বালানি হিসেবে কাঠ ও পাহাড়ের মাটি ব্যবহার করছে যা সম্পূর্ণ বেআইনি।

এফএইচ/এসএস/জেআইএম

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]