এনটিআরসিএ চেয়ারম্যানের আদালত অবমাননা, আদেশ বৃহস্পতিবার

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০১:৫২ পিএম, ০৪ মে ২০২১

বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষের (এনটিআরসিএ) চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার বিষয়ে করা আবেদনের ওপর শুনানি শেষ হয়েছে। এ বিষয়ে আদেশের জন্য আগামী বৃহস্পতিবার (৬ মে) পরবর্তী দিন ঠিক করেছেন আদালত।

মঙ্গলবার (৪ মে) হাইকোর্টের বিচারপতি মামনুন রহমান ও বিচারপতি খোন্দকার দিলীরুজ্জামানের দ্বৈত ভার্চুয়াল বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

জাগো নিউজকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আইনজীবী অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ ছিদ্দিক উল্লাহ মিয়া।

আদালতে এদিন আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট খুরশিদ আলম খান, অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ ছিদ্দিক উল্লাহ মিয়া ও ব্যারিস্টার মহিউদ্দিন হানিফ। এনটিআরসিএ’র পক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট মো. ফারুক হোসেন।

অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ ছিদ্দিক উল্লাহ মিয়া বলেন, এর আগে গত ৭ মার্চ বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষকে ১ থেকে ১২তম নিবন্ধনধারীদের এমপিওভুক্ত বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়োগের সুপারিশ করতে নির্দেশ দিয়েছিলেন হাইকোর্ট।

১৫ দিনের মধ্যে এনটিআরসিএর চেয়ারম্যানকে ওই নির্দেশ বাস্তবায়ন করতে বলা হয়েছিল। একই সঙ্গে নিবন্ধনধারীদের নিয়োগ সংক্রান্ত হাইকোর্টের রায়ও বাস্তবায়ন করতে বলেছিলেন আদালত। আদালতের ওইসব আদেশ বাস্তবায়ন না করায় এনটিআরসিএর চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার আবেদন করা হয়। সেটির শুনানি শেষ হয়েছে।

গত বছরের ১৫ ডিসেম্বর বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ) কর্তৃক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষক নিয়োগে বিজ্ঞপ্তির ওপর নিষেধাজ্ঞা দিয়েছিলেন হাইকোর্ট। ওই সময় আদালত অবমাননার বিষয় নিষ্পত্তি না করে কোনো শিক্ষক নিয়োগে বিজ্ঞপ্তি দিতে পারবে না বলেও আদেশে উল্লেখ করা হয়।

এ বিষয়ে ব্যারিস্টার মহিউদ্দিন হানিফ ফরহাদ ওই দিন বলেছিলেন, ২০১৭ সালের ১৪ ডিসেম্বর হাইকোর্ট একটি রায় দিয়েছিলেন। ওই রায়ে কয়েক দফা নির্দেশনা ছিল। তার মধ্যে একটি ছিল সম্মিলিত মেধাতালিকা অনুযায়ী রিট আবেদনকারী এবং অন্যান্য আবেদনকারীদের নামে সনদ জারি করবে। কিন্তু ২ বছরেও রায় বাস্তবায়ন না করায় রিটকারীরা আদালত অবমাননার আবেদন করেন। ওই আবেদনের শুনানি নিয়ে ২০১৯ সালে রুল জারি করেন হাইকোর্ট। এ রুল বিবেচনাধীন থাকা অবস্থায় ৩০ হাজার প্রার্থীর জন্য গণবিজ্ঞপ্তি জারি করে এনটিআরসিএ। এরপর নিয়োগ থেকে বিরত থাকতেও আরেকটি আবেদন করেছেন রিটকারীরা।

এফএইচ/এসএস/এমকেএইচ

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]