অর্থ আত্মসাৎ মামলায় সেই মশিউর ৬ দিনের রিমান্ডে

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৬:১৩ পিএম, ০৯ জুন ২০২১ | আপডেট: ০৬:২২ পিএম, ০৯ জুন ২০২১

প্রতারণার ফাঁদে ফেলে ব্যবসায়ীদের অর্থ হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগে কাফরুল থানায় দুই ভুক্তভোগীর পৃথক দুই মামলায় মশিউর রহমান খান ওরফে বাবুর ছয় দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।

বুধবার (৯ জুন) ঢাকা মহানগর হাকিম বাকি বিল্লাহের ভার্চুয়াল আদালত শুনানি শেষে এ রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

এদিন আসামি মশিউরকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে আদালতে উপস্থিত দেখানো হয়। এরপর মামলার সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে আসামির দুই মামলায় সাত দিন করে মোট ১৪ দিনের রিমান্ড নিতে আবেদন করেন মামলার তদন্ত সংস্থা সিআইডি।

এসময় আসামিপক্ষে তার আইনজীবী রিমান্ড বাতিল চেয়ে শুনানি করেন। উভয়পক্ষের শুনানি শেষে আদালত তার দুই মামলায় তিন দিন করে মোট ছয় দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

এর আগে গত ১ জুন রাজধানীর মহাখালী এলাকা থেকে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) গ্রেফতার করে।

মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, মশিউর রহমান সংঘবদ্ধ অপরাধী চক্রের অন্যতম হোতা। দীর্ঘদিন ধরে প্রতারণার মাধ্যমে ৫০ কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন আসামি মশিউর রহমান। আসামি মশিউর রহমানের বাড়ি গোপালগঞ্জ।

গুগলসহ অনলাইনে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করে মশিউর রহমানের সহযোগীরা। পরে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্য চাল, ডাল, তেল, লবণসহ বিবিধ পণ্য সরবরাহকারীদের সঙ্গে তার সহযোগীরা যোগাযোগ করেন।

সংঘবদ্ধ অপরাধী চক্রের সদস্যদের পেশাদারি আচরণে তাদের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড ধরতে পারেন না ভুক্তভোগী ব্যবসায়ীরা। যেকোনো পণ্য কেনার পর তার ১০-৩০ শতাংশ মূল্য পরিশোধ করতেন মশিউর রহমান। বাকি ৭০ শতাংশ মূল্য চেকের মাধ্যমে পরিশোধ করতেন।

পরে ব্যবসায়ীরা ব্যাংকে গিয়ে জানতে পারেন, মশিউর রহমান যে চেক দিয়েছেন, সেই হিসাবে পর্যাপ্ত অর্থ থাকে না। এরপর দিনের পর দিন টাকা না দিয়ে নানাভাবে প্রতারিত করেন মশিউর রহমান।

এ ঘটনায় গত ৪ জুন ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী রুস্তম আলী ও গত ২ জুন আযম আলী বাদী হয়ে কাফরুল থানায় মশিউরের বিরুদ্ধে পৃথক দুটি মামলা করেন। মশিউর রহমানের বিরুদ্ধে এখন পর্যন্ত ১০০ জনের মতো ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী অভিযোগ করেছেন।

জেএ/এএএইচ/এমএস

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]