গোপালগঞ্জ হাসপাতালে ৩৮ কোটি টাকার মেশিন অকেজো : অনুসন্ধানে নোটিশ

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৪:২১ পিএম, ২৯ জুলাই ২০২১

গোপালগঞ্জ ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের এমআরআই, সিটি স্ক্যান ও ডিজিটাল এক্স-রে মেশিন অকেজো হওয়ায় বিচার বিভাগীয় অনুসন্ধানের দাবিতে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সচিবসহ সংশ্লিষ্টদের প্রতি লিগ্যাল নোটিশ পাঠানো হয়েছে।

একই সঙ্গে গোপালগঞ্জ হাসপাতালে ৩৮ কোটি টাকার অকেজো মেশিন সচল করারও আর্জি জানানো হয়েছে নোটিশে।

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব, স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক (ডিজি), স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের প্রকৌশলী, দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) চেয়ারম্যান ও গোপালগঞ্জ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের প্রিন্সিপালসহ সংশ্লিষ্টদের বিবাদী করা হয়েছে নোটিশে।

একটি জাতীয় দৈনিকে প্রকাশিত এ সংক্রান্ত প্রতিবেদন যুক্ত করে জনস্বার্থে আইনজীবী অ্যাডভোকেট মো. আনিচুর রহমানের পক্ষে বুধবার (২৮ জুলাই) সুপ্রিম কোর্টের অন্য আইনজীবী অ্যাডভোকেট চঞ্চল কুমার বিশ্বাস এ নোটিশ পাঠান।

নোটিশ পাঠানোর বিষয়টি বৃহস্পতিবার (২৯ জুলাই) জাগো নিউজকে নিশ্চিত করেন চঞ্চল কুমার বিশ্বাস।

তিনি বলেন, নোটিশ হাতে পাওয়ার সাতদিনের মধ্যে এসব মেশিন কেনার সঙ্গে জড়িতদের খুঁজে বের করতে বিচার বিভাগীয় অনুসন্ধান করার জন্য বলা হয়েছে। তা না হলে আইনি প্রতিকার চেয়ে হাইকোর্টে রিট আবেদন করা হবে। একই সঙ্গে এমআরআই, সিটি স্ক্যান ও ডিজিটাল এক্স-রে মেশিন দীর্ঘদিন ধরে অকেজো থাকায় রোগীরা স্বাস্থ্যসেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। তাই ১৫ দিনের মধ্যে যন্ত্রগুলো সচল করার জন্যও বলা হয়েছে।

এর আগে ৭ জুলাই একটি জাতীয় দৈনিকে ‘গোপালগঞ্জে ৩৮ কোটি টাকার মেশিন অকেজো’ শিরোনামে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ হয়।

প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০১৩ সালে গোপালগঞ্জ ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালের জন্য প্রায় ১০ কোটি ৬৬ লাখ ৬৭ হাজার টাকা ব্যয়ে সিটি স্ক্যান মেশিন ও ২০১৪ সালে ১০ কোটি ১২ লাখ টাকা ব্যয়ে ডিজিটাল এক্স-রে মেশিন ক্রয় করা হয়। যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে সিটি স্ক্যান মেশিন ও সফটওয়্যার নষ্ট হওয়ার কারণে এক্স-রে মেশিন ছয় মাস ধরে অকেজো অবস্থায় পড়ে আছে।

এফএইচ/জেডএইচ/এএসএম

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]