ফরিদপুরের আশিকের ঠিকাদারি লাইসেন্স আছে কি-না জানতে চান হাইকোর্ট

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০১:০২ পিএম, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২১
ফাইল ছবি

দুই হাজার কোটি টাকা পাচারের অভিযোগে ফরিদপুরের বহুল আলোচিত শহর আওয়ামী লীগের বহিষ্কৃত সাধারণ সম্পাদক সাজ্জাদ হোসেন বরকত ও তার ভাই ইমতিয়াজ হোসেন রুবেলের বিরুদ্ধে করা মামলায় অপর এক আসামি ফরিদপুরের আশিকুর রহমান ফারহানের জামিন আবেদন শুনানিতে তার ঠিকাদারি লাইসেন্স আছে কি-না জানতে চেয়েছেন হাইকোর্ট। আর লাইসেন্স থাকলে সেটি আদালতে দাখিল করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৩ সেপ্টেম্বর) হাইকোর্টের বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি এস এম মজিবুর রহমানের ভার্চুয়াল বেঞ্চ এই আদেশ দেন।

আদালতে আজ জামিন আবেদনের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী ছিলেন ব্যারিস্টার মো রুহুল কুদ্দুস কাজল। দুদকের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী মো খুরশীদ আলম খান। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল একেএম আমিন উদ্দিন মানিক, সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল আন্না খানম কলি ও মো সাইফুর রহমান সিদ্দিকী সাইফ।

আদেশের বিষয়টি জাগো নিউজকে নিশ্চিত করে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল একেএম আমিন উদ্দিন মানিক বলেন, এ মামলায় চার্জশিটভুক্ত ১০ আসামির মধ্যে চার নম্বর আসামি আশিকুর রহমান ফারহান ওরফে মো. আশিক। অর্থপাচারের বিষয়ে তার স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি রয়েছে। এর পরে হাইকোর্টে তিনি জামিন চেয়ে আবেদন করেন। ওই আবেদনের শুনানি নিয়ে আদালত আশিকুর রহমানের ঠিকাদারি লাইসেন্স আছে কি-না থাকলে তা আদালতে দাখিল করতে নির্দেশ দিয়েছেন।

পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) পরিদর্শক এসএম মিরাজ আল মাহমুদ অর্থপাচারের অভিযোগে ২০২০ সালের ২৬ জুন বরকত ও রুবেলের বিরুদ্ধে রাজধানীর কাফরুল থানায় মামলা করেন। অর্থপাচারের ওই মামলায় এই দুই ভাইয়ের বিরুদ্ধে আনুমানিক দুই হাজার কোটি টাকার সম্পদ অবৈধ উপায়ে অর্জন ও পাচারের অভিযোগ আনা হয়। মামলার অভিযোগপত্রে ১০ জন আসামির আশিকুর একজন। তার অর্থপাচারের বিষয়ে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি আছে।

ফরিদপুর শহরের গোলচামট এলাকায় সুবল চন্দ্রের বাড়িতে হামলার ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে শহরের বিভিন্ন এলাকা থেকে সাজ্জাদ, রুবেলসহ ৯ জনকে ২০২০ বছরের ৭ জুন গ্রেফতার করে পুলিশ। পরে তাদের বিরুদ্ধে অস্ত্র আইনসহ বিভিন্ন মামলা হয়। মামলার অন্যান্য আসামিরা হলেন- সাবেক মন্ত্রী খন্দকার মোশারফ হোসেনের ভাই খন্দকার মোহতেশাম হোসেন বাবর, মন্ত্রীর এপিএস এএইচএম ফুয়াদ, খন্দকার নাজমুল ইসলাম লেভী, ফাহাদ বিন ওয়াজেদ ওরফে ফাহিম, কামরুল হাসান ডেভিড, মোহাম্মদ আলী দিদার ও মো. তারিকুল ইসলাম নাসিম।

এফএইচ/এমআরআর/জিকেএস

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]