দুর্নীতি মামলায় ৭ বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তার আগাম জামিন

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৪:১৬ পিএম, ২৫ নভেম্বর ২০২১
ফাইল ছবি

জালিয়াতির মাধ্যমে ডকুমেন্ট তৈরি করে বীমা কোম্পানির প্রিমিয়ামের টাকা আত্মসাতের অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) করা মামলায় সাতজন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তাকে আট সপ্তাহের আগাম জামিন মঞ্জুর করে আদেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট।

সাত বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা হলেন- ড. স্বপন কুমার রায়, ড. শিরীন আক্তার জাহান, ড. মো. শাহরিয়ার বাশার, ড. মালা খান, ড. মোহাম্মদ নাজিম জামান, ড. তুষার উদ্দিন ও ড. দীপা ইসলাম।

বৃহস্পতিবার (২৫ নভেম্বর) হাইকোর্টের বিচারপতি নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি একেএম জহিরুল হকের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

এদিন আদালতে জামিন আবেদনকারীদের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দস কাজল, সঙ্গে ছিলেন আইনজীবী আকতার রসুল, মোসাদ্দেক বিল্লাহ, নূরে আলম সিদ্দিকী সোহাগ ও আব্দুল্লাহিল মারুফ ফাহিম। দুদকের পক্ষে ছিলেন মো. খুরশীদ আলম খান।

আইনজীবী রুহুল কুদ্দুস কাজল জানান, গত ১৬ নভেম্বর পরস্পর বীমা প্রিমিয়ামের টাকা আত্মসাতের অভিযোগে সাধারণ বীমা করপোরেশন, এক্সিম ব্যাংক, বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড, বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) ও বাংলাদেশ বিজ্ঞান ও শিল্প গবেষণা পরিষদের ৩৫ জন কর্মকর্তা-কর্মচারীর বিরুদ্ধে দায়ের করা দুর্নীতির মামলার চার্জশিট অনুমোদন দেয় দুদক।

এ মামলায় জামিন আবেদন করলে আদালত তাদের জামিন মঞ্জুর করেন।

মামলা সূত্রে জানা যায়, সাধারণ বীমা করপোরেশনের সাবেক ম্যানেজার ও শাখা প্রধান মো. আবুল কাশেমের বিরুদ্ধে জালিয়াতির মাধ্যমে ডকুমেন্ট তৈরি করে বীমা প্রিমিয়ামের প্রায় ২৬ কোটি ১৪ লাখ ৯৮ হাজার ২০৩ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে মামলা করেছিল দুদক। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ২৯ জুলাই সাধারণ বীমা করপোরেশনের ব্যবস্থাপক মো. আবুল কাশেমকে গ্রেফতার করে সংস্থাটি।

এ মামলা তদন্ত করে বাংলাদেশ বিজ্ঞান ও শিল্প গবেষণা পরিষদের ৩৫ জন কর্মকর্তা-কর্মচারীর বিরুদ্ধে চার্জশিটের অনুমোদন দেয় দুদক।

এফএইচ/এমকেআর/জেআইএম

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]