ডিগ্রি কলেজে প্রভাষক-কর্মচারীদের এমপিওভুক্তির আবেদন নিয়ে রুল

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৬:৪৪ পিএম, ০৫ ডিসেম্বর ২০২১

এমপিওভুক্তির আবেদনের জন্য নূন্যতম দুটি বিভাগ থাকার শর্তারোপ কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে ডিগ্রি কলেজের প্রভাষক ও কর্মচারীদের এমপিওভুক্তির আবেদনের সুযোগ কেন দেওয়া হবে না তাও জানতে চাওয়া হয়েছে রুলে।

আগামী চার সপ্তাহের মধ্যে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব (মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ), মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালকসহ (ডিজি) সংশ্লিষ্টদের রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।

দেশের বিভিন্ন জেলার ডিগ্রি কলেজের ২৯১ জন প্রভাষক ও কর্মচারীর করা পৃথক তিনটি রিটের শুনানি নিয়ে রোববার (৫ ডিসেম্বর) হাইকোর্টের বিচারপতি এম. ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের বেঞ্চ এই রুল জারি করেন।

আদালতে রিটকারীদের পক্ষে ছিলেন সুপ্রিম কোর্টের অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ ছিদ্দিক উল্লাহ মিয়া। অপরদিকে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল অ্যাডভোকেট বিপুল বাগমার।

রিটকারীদের পক্ষের আইনজীবী মোহাম্মদ ছিদ্দিক উল্লাহ মিয়া জাগো নিউজকে বলেন, বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা-২০২১ প্রণয়ন করে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। উক্ত নীতিমালার পরিশিষ্ট ‘খ’ এর পাদটীকা অনুসারে স্নাতক (পাস) কলেজ এমপিওভুক্তির জন্য নূন্যতম ২টি বিভাগ চলমান থাকার কথা বলা হয়।

তিনি বলেন, যেহেতু রিটকারীদের প্রতিষ্ঠানগুলোতে একটি বিভাগ চালু রয়েছে, তাই তারা দীর্ঘদিন কর্মরত থাকার পরও এমপিওভুক্তির আবেদন করতে পারেন নাই।

অ্যাডভোকেট ছিদ্দিক উল্লাহ মিয়া আরও বলেন, এমপিওভুক্তির আবেদন করা রিটকারীদের আইনগত অধিকার। কিন্তু উপরোক্ত শর্তের কারণে তারা অধিকার থেকে বঞ্চিত হয়েছে। যা মৌলিক অধিকার লঙ্ঘন।

রিটকারীরা হলেন- মো. নুর আলম ছিদ্দিক, মৃণাল কান্তি রায়, মো. হারুন অর রশিদ, মো. এমরানুল হাসান, মো. ওসমান গনি মো. জিলহক, মো. মনিরুল ইসলাম, সুকদেব সরকার ও মো. খলিলুর রহমানসহ বিভিন্ন জেলার ২৯১ জন।

এফএইচ/জেডএইচ/জিকেএস

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]