ভুয়া গ্রেফতারি পরোয়ানা: বিল্ডার্স ইঞ্জিনিয়ার্সের এমডির নামে মামলা

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৯:৩৩ পিএম, ০৭ ডিসেম্বর ২০২১

নকল সিলমোহর তৈরি এবং সরকারি কর্মকর্তার স্বাক্ষর সংযোজন করে জাল গ্রেফতারি পরোয়ানা পাঠানোর অভিযোগে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান দ্য বিল্ডার্স ইঞ্জিনিয়ার্স অ্যাসোসিয়েটস লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ফজলুল করিম চৌধুরী ওরফে স্বপন চৌধুরীসহ দুজনের বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলার অপর আসামি হলেন- স্বপন চৌধুরীর অফিসের কর্মকর্তা কায়েছুল ইসলাম।

মঙ্গলবার (৭ ডিসেম্বর) ঢাকার সাইবার ট্রাইব্যুনালের বিচারক আসসামছ জগলুল হোসেনের আদালতে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এবং জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের সাবেক অধ্যাপক কাজী মো. আবু কাইয়ুম (কাইয়ুম শিশির) বাদী হয়ে এ মামলা করেন।

আদালত বাদীর জবানবন্দি নিয়ে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনকে (পিবিআই) অভিযোগ বিষয়ে তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন।

মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, ব্যবসায়িক কারণে স্বপন চৌধুরী এবং আবু কাইয়ুমের মধ্যে আর্থিক সম্পর্ক ও যোগাযোগ ছিল। স্বপন চৌধুরীর কাছে টাকা পান আবু কাইয়ুম। টাকা দিতে ব্যর্থ হওয়ায় কাইয়ুম পৃথক দুটি মামলা করেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে কাইয়ুমের বিরুদ্ধেও বনানী থানায় একটি মামলা করেন স্বপনের অফিসের কর্মকর্তা কায়েছুল। মামলাটি তদন্ত করে পুলিশ অভিযোগের সত্যতা পায়নি মর্মে প্রতিবেদন দাখিল করে। পরবর্তীতে আসামিরা কাইয়ুমের বিরুদ্ধে জালিয়াতির মাধ্যমে গ্রেফতারি পরোয়ানা তৈরি করেন। স্বপন চৌধুরী এ পরোয়ানা আবু কাইয়ুমের পরিচিত এক ব্যক্তির কাছে হোয়াটসঅ্যাপে পাঠান। ওই ব্যক্তি আবার সেটি কাইয়ুমের মোবাইলে পাঠান।

মামলার অভিযোগে আরও বলা হয়, আসামিরা ডিজিটাল মাধ্যম ব্যবহার করে ভুয়া গ্রেফতারি পরোয়ানা ও নকল সিলমোহর তৈরি এবং সরকারি কর্মকর্তার স্বাক্ষর সংযোজন করে এক ব্যক্তির মাধ্যমে তার কাছে সেই গ্রেফতারি পরোয়ানা পাঠান। এ পরোয়ানার ভিত্তিতে পুলিশ কাইয়ুমের এলাকায় যায়। পরে কাইয়ুম ঢাকার আদালতে খোঁজ নিয়ে জানতে পারেন, তার নামে কোনো মামলা নেই।

আসামিদের এমন কর্মকাণ্ড ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন ২০১৮ এর ২৩/২৫/২৯/৩৩ এবং ৩৫ ধারা অনুযায়ী অপরাধ হিসেবে গণ্য হয় বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

জেএ/এমকেআর/এএসএম

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]