আবরার হত্যা মামলার রায়, আদালতে আসামিদের স্বজনেরা

জাগো নিউজ টিম জাগো নিউজ টিম ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালত
প্রকাশিত: ১০:১৯ এএম, ০৮ ডিসেম্বর ২০২১

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদ হত্যা মামলার রায় ঘোষণা ঘিরে আদালতে উপস্থিত রয়েছেন আসামিদের স্বজনেরা। আক্ষেপ নিয়েই রায় ঘোষণার জন্য অপেক্ষা করছেন তারা।

বুধবার (৮ ডিসেম্বর) আলোচিত এ মামলার রায় ঘোষণা করবেন ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-১-এর বিচারক আবু জাফর মো. কামরুজ্জামান।

২০১৯ সালের ৬ অক্টোবর রাতে বুয়েটের শেরেবাংলা হল থেকে তড়িৎ ও ইলেকট্রনিকস প্রকৌশল বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র আবরার ফাহাদকে ডেকে নিয়ে যান ছাত্রলীগের কয়েকজন নেতাকর্মী। পরে রাত ৩টার দিকে হলের সিঁড়ি থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

এ ঘটনার পরদিন চকবাজার থানায় ১৯ জনকে আসামি করে মামলা করেন আবরারের বাবা বরকত উল্লাহ। ২০১৯ সালের ১৩ নভেম্বর ঢাকা মহানগর হাকিম আদালতে ২৫ জনকে অভিযুক্ত করে চার্জশিট দেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ডিবি পুলিশের পরিদর্শক ওয়াহিদুজ্জামান।

২০২০ সালের ২১ জানুয়ারি অভিযোগপত্র আমলে নিয়ে ২ সেপ্টেম্বর অভিযোগ গঠন করেন আদালত। মামলায় মোট ২৫ আসামির মধ্যে ১৯ জন এজাহারভুক্ত। এর বাইরে ছয়জনের তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে এ হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার প্রমাণ পাওয়া গেছে। আসামিদের মধ্যে তিনজন পলাতক। এছাড়া ৮ জন স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।

মামলার আসামিরা হলেন- মেহেদী হাসান রাসেল, অনিক সরকার, ইফতি মোশাররফ সকাল, মেহেদী হাসান রবিন, মেফতাহুলইসলাম জিওন, মুনতাসির আলম জেমি, খন্দকার তাবাখখারুল ইসলাম তানভির, মুজাহিদুর রহমান, মুহতাসিম ফুয়াদ, মনিরুজ্জামান মনির, আকাশ হোসেন, হোসেন মোহাম্মদ তোহা, মাজেদুল ইসলাম, শামীম বিল্লাহ, মোয়াজ আবু হুরায়রা, এ এসএম নাজমুস সাদাত, মোর্শেদুজ্জামান জিসান ও এহতেশামুল রাব্বি তানিম।

পলাতক রয়েছেন মোর্শেদুজ্জামান জিসান, এহতেশামুল রাব্বি তানিম ও মোস্তবা রাফিদ। এদের মধ্যে প্রথম দুজন এজাহারভুক্ত।

এজাহারবহির্ভূত আসামিরা হলেন- ইশতিয়াক আহমেদ মুন্না, অমিত সাহা, মিজানুর রহমান ওরফে মিজান, শামসুল আরেফিনরাফাত, এস এম মাহমুদ সেতু ও মোস্তবা রাফিদ।

রায় ঘিরে বুধবার সকালে ঢাকার কেরানীগঞ্জের কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে ২২ আসামিকে ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতে আনা হয়েছে।

এদিকে মঙ্গলবার রাতে আবরারের বাবা বরকত উল্লাহ বলেছেন, ‘ছেলে হত্যার রায় শুনতে সোমবার (৬ ডিসেম্বর) রাতে ঢাকায় এসেছি। এক আত্মীয়ের বাসায় উঠেছি। রায় শুনতে আগামীকাল (বুধবার) সকালে আদালতে যাবো।’

তিনি বলেন, ‘আমার ছেলেকে যারা হত্যা করেছে, সবার মৃত্যুদণ্ডের রায় প্রত্যাশা করছি। এবার যেন আর রায় ঘোষণার তারিখ না পেছানো হয়।’

গত ২৮ নভেম্বর রায় ঘোষণার দিন ধার্য থাকলেও রায় প্রস্তুত না হওয়ায় বিচারক রায়ের জন্য ৮ ডিসেম্বর দিন ধার্য করেন।

জেএ/আরএসএম/এমআইএস/রায়হান আহমেদ/এমকেআর/এমএস

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]