জ্যেষ্ঠ বিচারপতি ইমান আলীর নাম নেই রোববারের কার্যতালিকায়

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ১১:০৪ এএম, ০২ জানুয়ারি ২০২২
ফাইল ছবি

শীতকালীন অবকাশ ও সরকারি ছুটি শেষে দুই সপ্তাহ পর খুলেছে সুপ্রিম কোর্টের আপিল ও হাইকোর্ট বিভাগ। ফলে রোববার (২ জানুয়ারি) আইনজীবী ও বিচারপ্রার্থীদের পদচারণায় মুখরিত হয়েছে আদালত প্রাঙ্গণ।

অবকাশের পর রীতি অনুযায়ী প্রথম দিন সুপ্রিম কোর্ট বার ও অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয় প্রধান বিচারপতির সঙ্গে কুশল বিনিময় করে থাকেন। সে হিসেবে এবার নতুন বছরে নবনিযুক্ত প্রধান বিচারপতিকে সংবর্ধনা দেওয়ার সুযোগ পাচ্ছে সুপ্রিম কোর্ট বার ও অ্যাটর্নি জেনালের কার্যালয়।

প্রধান বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকীকে তার কর্মদিবসের প্রথম দিন সংবর্ধনা দেওয়ার পরিকল্পনা করেছে অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয় ও সুপ্রিম কোর্ট বার। আপিল ও হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতিগণ, অ্যাটর্নি জেনারেল ও আইনজীবীরা তাকে স্বাগত জানাবেন।

এদিকে, বৃহস্পতিবার (৩০ ডিসেম্বর) সুপ্রিম কোর্টের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত রোববারের (২ জানুয়ারি) কার্যতালিকায় (কজলিস্ট) বিচারপতি মোহাম্মদ ইমান আলীর নাম নেই।

নতুন বছরের শুরুতে নতুন প্রধান বিচারপতি এজলাসে বসবেন। তবে এজলাসে বসছেন না আপিল বিভাগের সিনিয়র বিচারপতি মোহাম্মদ ইমান আলী। সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের জ্যেষ্ঠ এ বিচারপতির নাম রোববারের সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের কার্যতালিকায় দেখা যায়নি।

জানা গেছে, সুপ্রিমকোর্টের আপিল বিভাগের জ্যেষ্ঠ বিচারপতি মোহাম্মদ ইমান আলী ছুটিতে গেছেন। তবে কতদিনের জন্য তিনি ছুটিতে গেছেন তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন বৃহস্পতিবার (৩০ ডিসেম্বর) অবসরে যাওয়ার পর সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে বিচারপতির সংখ্যা দাঁড়ায় চার জনে। জ্যেষ্ঠতার ক্রম অনুসারে তারা হলেন- বিচারপতি মোহাম্মদ ইমান আলী, বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী, বিচারপতি মো. নূরুজ্জামান ও বিচারপতি ওবায়দুল হাসান।

এরমধ্যে বৃহস্পতিবার বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকীকে ২৩তম প্রধান বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ দেন রাষ্ট্রপতি।

সংবিধান অনুসারে বিচারপতি পদের মেয়াদ ৬৭ বছর পর্যন্ত। বিচারপতি মোহাম্মদ ইমান আলী অবসরে যাবেন ২০২২ সালের ৩১ ডিসেম্বর। এছাড়া বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী ২০২৩ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর, বিচারপতি মো. নূরুজ্জামান ২০২৩ সালের ৩০ জুন এবং বিচারপতি ওবায়দুল হাসান ২০২৬ সালের ১০ জানুয়ারি অবসরে যাবেন।

গত ১৯ ডিসেম্বর থেকে ১ জানুয়ারি পর্যন্ত শীতকালীন অবকাশ ছিল উচ্চ আদালতে। তবে এ সময় জারুরি মামলার বিচারকাজ পরিচালনার জন্য সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগে ১১টি ‘অবকাশকালীন বেঞ্চ’ খোলা ছিল। এর মধ্যে ছিল ৮টি ডিভিশন বেঞ্চ এবং ৩টি একক বেঞ্চ। এছাড়াও একই সময়ে আপিল বিভাগের চেম্বার আদালতে বিচারকাজ অনুষ্ঠিত হয়।

এফএইচ/কেএসআর/এমএস

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]