২১ শিক্ষার্থীকে ভর্তি না নেওয়ার কারণ জানতে চান হাইকোর্ট

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ১২:২১ পিএম, ১৬ জানুয়ারি ২০২২

অপেক্ষমাণ তালিকা থাকা ২১ শিক্ষার্থীকে ভর্তি না নেওয়ার কারণ ব্যাখ্যা করার জন্য দিনাজপুরের হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে আগামী সাত দিনের মধ্যে ভর্তি সংক্রান্ত বিষয়ে ব্যাখ্যা দিতে বলেছেন আদালত।

একই সঙ্গে রুল জারি করেছেন আদালত। রুলে দিনাজপুরের হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (হাবিপ্রবি) স্নাতক প্রথম বর্ষে অপেক্ষমাণ তালিকায় থাকা ২১ শিক্ষার্থীকে রিপোর্টিং কার্যক্রমে অংশগ্রহণের সুযোগ না দেওয়া কেন অবৈধ হবে না, তা জানতে চেয়েছেন হাইকোর্ট। আগামী সাত দিনের মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।

এ সংক্রান্ত ঘটনায় গণমাধ্যমে আসা প্রতিবেদন নজরে আনা হলে শুনানি নিয়ে রোববার (১৬ জানুয়ারি) হাইকোর্টের বিচারপতি মামনুন রহমান ও বিচারপতি খোন্দকার দিলীরুজ্জামানের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এই আদেশ দেন।

আদালতে আজ রিটের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট এম এ মাসুম। বিষয়টি জাগো নিউজকে নিশ্চিত করেন এই আইনজীবী নিজেই। আদালতে আজ সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী এ এম মাছুম ছাড়া তার সঙ্গে ছিলেন- অ্যাডভোকেট সাইফুর রহমান রাহী ও নাহিয়ান ইবনে সোবহান। অন্যদিকে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল বিপুল বাগমার।

‘১৫ মিনিটে ২১ শিক্ষার্থীর স্বপ্নভঙ্গ’ শিরোনামে একটি অনলাইন পোর্টালে ১৪ জানুয়ারি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। এটিসহ অনলাইন মাধ্যমে আসা দুটি প্রতিবেদন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী এ এম মাছুম, সাইফুর রহমান রাহী ও নাহিয়ান ইবনে সোবহান আদালতের নজরে আনেন। তার পরে বিষয়টিতে শুনানি নিয়ে আদালত রুল জারির আদেশ দেন।

আইনজীবী এ এম মাছুম বলেন, ২১ জন শিক্ষার্থীর ভবিষ্যতের বিষয় এখানে জড়িত। ১৫ মিনিট দেরির যে কথা বলা হচ্ছে, তা তাদের গাফিলতি নয়। কেননা, বাস যাত্রাবিরতি দিতে দিতে ২০ ঘণ্টায় গন্তব্যে পৌঁছে। সাধারণত গন্তব্যে পৌঁছাতে ১২ থেকে ১৩ ঘণ্টা লাগে। শুনানি নিয়ে হাইকোর্ট ওই রুল দিয়েছেন।

ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (হাবিপ্রবি) স্নাতক প্রথম বর্ষে অপেক্ষমাণ তালিকা থেকে ১৩ জানুয়ারি ভর্তি কার্যক্রম শুরু হয়। কিন্তু নির্ধারিত সময়ের চেয়ে ১৫ মিনিট দেরিতে বিশ্ববিদ্যালয়ে পৌঁছানোর কারণে ২১ শিক্ষার্থীর কাগজপত্র জমা নেয়নি কর্তৃপক্ষ। এতে বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ভর্তি হতে পারেননি ওই শিক্ষার্থীরা।

জানা যায়, গত বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৯টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত রিপোর্টিং কার্যক্রমে অংশ নিতে বলা হয় ওয়েটিং লিস্টে থাকা শিক্ষার্থীদের। কিন্তু চট্টগ্রাম ও খুলনা বিভাগের ২১ শিক্ষার্থী দুপুর সোয়া ১২টায় ক্যাম্পাসে পৌঁছান।

ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করেন, বাসচালক ও সুপারভাইজারের (শ্যামলী পরিবহন) গাফিলতির কারণে তারা নির্ধারিত সময়ে ক্যাম্পাসে পৌঁছাতে পারেননি।

এফএইচ/বিএ/এমআরআর/এএসএম

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]