এটিএম বুথে ব্যবসায়ীকে হত্যার দায় স্বীকার ছিনতাইকারী সামাদের

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ১০:৩৯ পিএম, ১২ আগস্ট ২০২২
আব্দুস সামাদ

রাজধানীর উত্তরায় ডাচ-বাংলা ব্যাংকের এটিএম বুথে ছুরিকাঘাতে শরিফ উল্লাহ নামে এক ব্যবসায়ীকে হত্যার দায় স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছেন ছিনতাইকারী আব্দুস সামাদ।

শুক্রবার (১২ আগস্ট) সামাদকে আদালতে হাজির করা হয়। এরপর হত্যার দায় স্বীকার করে জবানবন্দি দিতে সম্মতি হওয়ায় তা রেকর্ড করার আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা। আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট শহিদুল ইসলাম তার জবানবন্দি রেকর্ড করেন।এরপর তাকে কারাগারে পাঠানো হয়।

আদালতে উত্তরা পশ্চিম থানার সাধারণ নিবন্ধন শাখার কর্মকর্তা পুলিশের উপ-পরিদর্শক লিয়াকত আলী বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

গত বৃহস্পতিবার (১২ আগস্ট) দিনগত রাত ১টার দিকে শরিফ উল্লাহ উত্তরার ১২ নম্বর সেক্টরে জাকিয়া টাইলস গ্যালারি অ্যান্ড স্যানেটারি থেকে বাসায় যাওয়ার সময় ডাচ-বাংলা এটিএম বুথ থেকে টাকা তোলেন। এ সময় এটিএম বুথে আব্দুস সামাদ নামের এক ছিনতাইকারী ধারালো ছুরি দিয়ে তাকে আঘাত করেন। শব্দ পেয়ে নিরাপত্তাপ্রহরী সেখানে গেলে সামাদ দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করেন। তাকে ধাওয়া করে জমজম টাওয়ারের সামনে ধরে ফেলেন ওই নিরাপত্তাপ্রহরী। পরে তাকে আটক করে উত্তরা পশ্চিম থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। এ সময় তার কাছ থেকে ধারালো অস্ত্রটি জব্দ করা হয়। এটিএম বুথ থেকে রক্তমাখা ৮ হাজার টাকা জব্দ করা হয়।

এ ঘটনায় নিহত সামাদের ভাই আনোয়ার হোসেন বাদী হয়ে উত্তরা পশ্চিম থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

আরও পড়ুন>> এটিএম বুথে ব্যবসায়ীকে ছুরিকাঘাতে হত্যা, ঘাতক আটক

পরিবার সূত্রে জানা গেছে, শরিফ উল্লাহ লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জ থানার মধুপুর গ্রামের মৃত মোহাব্বত আলীর ছেলে। উত্তরা ১২ নম্বর সেক্টরের ৬ /সি সড়কের ২৪ নম্বর প্লটে টাইলসের ব্যবসা করতেন তিনি। তার প্রতিষ্ঠানের নাম জাকিয়া টাইলস গ্যালারি অ্যান্ড স্যানিটারি।

তিনি গাজীপুরের টঙ্গী পশ্চিম থানার আওতাধীন দেওড়া এলাকার ১৮৯ শাহজালাল সড়কে স্ত্রী রিয়ানা পারভিন পলি ও দুই ছেলে শাহ নেওয়াজ স্বাধীন (১২) ও সোয়েব মাহমুদকে (৫) নিয়ে বসবাস করতেন।

জেএ/এমএএইচ/

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।