সদরঘাট টার্মিনালে কিশোরী হত্যা: কোচিং শিক্ষকের মৃত্যুদণ্ড

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৯:০৮ পিএম, ০২ অক্টোবর ২০২২
প্রতীকী ছবি

রাজধানীর সদরঘাট টার্মিনালে পটুয়াখালীগামী যাত্রীবাহী লঞ্চে কিশোরী পারুল আক্তারকে (১৬) গলা কেটে হত্যার অভিযোগে করা মামলায় কোচিং শিক্ষক আল-মামুনের (২৭) মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত।

রোববার (২ অক্টোবর) ঢাকার জেলা ও দায়রা জজ এএইচএম হাবিবুর রহমান ভূঁইয়ার আদালত এ রায় ঘোষণা করেন। পারুল নিহতের সময় অন্তঃসত্ত্বা ছিলেন। গর্ভের সন্তানকে মেরে ফেলায় আদালত দণ্ডবিধির ৩১৬ ধারায় আসামিকে আরও ১০ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন।

মামলার সূত্রে জানা যায়, কেরানীগঞ্জের জিনজিরা পীর মো. পাইলট উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির ছাত্রী ছিলেন পারুল আক্তার। বাড়ির পাশে ব্রাইট পাবলিক একাডেমিতে কোচিং করার সময় শিক্ষক আল-মামুনের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে তার। শারীরিক সম্পর্কে জড়িয়ে অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়েন পারুল। ২০১৬ সালের ২০ জুলাই কাউকে কিছু না বলে বরগুনার উদ্দেশ্যে ঈগল-৩ লঞ্চের তৃতীয় তলার ৩০৮ নাম্বার কেবিনে ওঠেন পারুল ও মামুন। সেখানে মামুন অভিযোগ করেন, পারুলের সঙ্গে অন্য একটি ছেলের সম্পর্ক আছে। পারুল তা অস্বীকার করলে তাদের মধ্যে বাকবিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে মামুন তার সঙ্গে থাকা ছুরি দিয়ে পারুলের গলা কাটে। পারুলের গলা থেকে রক্ত গড়িয়ে কেবিনের বাইরে এলে লঞ্চের অন্য লোকজন এসে মামুনকে আটক করে পুলিশে খবর দেয়। এ ঘটনায় ঈগল লঞ্চের ৩০৮ নম্বর কেবিন থেকে ওই কিশোরীর লাশ উদ্ধার করা হয়। এ সময় লঞ্চের কেবিনে থাকা নিহতের কোচিং শিক্ষক আল-মামুনকে (২১) আটক করা হয়। নিহত পারুলের বাবার নাম গেদা মিয়া। তিনি দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের আগানগর ছোট মসজিদ এলাকার বাসিন্দা।

জেএ/জেএইচ/জিকেএস

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।