সহকারী সচিবের স্ত্রী সেজে পেনশন উত্তোলন, শেফালীর ৭ বছরের কারাদণ্ড

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৭:১১ পিএম, ০৩ অক্টোবর ২০২২
প্রতীকী ছবি

প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের এমএলএসএস শেফালী বেগমের সাত বছরের কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। ওই মন্ত্রণালয়ের সহকারী সচিব হামিদুর রহমানের বিধবা স্ত্রী সেজে পেনশনের টাকা উত্তোলন করে আত্মসাতের মামলায় তাকে এ দণ্ড দেন আদালত।

সোমবার (৩ অক্টোবর) ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৭ এর বিচারক মো. শহিদুল ইসলাম এ রায় ঘোষণা করেন। রায় ঘোষণার সময় আসামি পলাতক থাকায় আদালত তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন।

মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের সহকারী সচিব হামিদুর রহমান ১৯৮৬ সালে অবসর গ্রহণ করেন। তিনি ১৯৯৯ সালের ১৮ সেপ্টেম্বর মারা যান। তবে হামিদুর রহমানের স্ত্রী তার আগেই মারা যাওয়ায় এবং ছেলে-মেয়েরা প্রাপ্তবয়স্ক থাকায় পেনশন বিধি অনুযায়ী তার পেনশন কার্যক্রম শেষ হয়ে যায়। দীর্ঘ ৮ বছর পরে ২০০৭ সালের ২৮ মে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের এমএলএসএস শেফালী বেগম সহকারী সচিব হামিদুর রহমানের বিধবা স্ত্রী সেজে পারিবারিক পেনশনের জন্য আবেদন করেন। আবেদনের সমর্থনে হামিদুর রহমানের সঙ্গে বিয়ের দুটি ভুয়া কাবিননামা, ওয়ারিশ সার্টিফিকেট দাখিল করেন শেফালী। সেই প্রেক্ষিতে ১৯৯৯ সালের সেপ্টেম্বর থেকে ২০১৬ সালের আগস্ট পর্যন্ত শেফালী বেগম সাত লাখ টাকা সরকারি কোষাগার থেকে পেনশন বাবদ উত্তোলন করেন। এ ঘটনায় দুদকের সহকারী পরিচালক সোহানা আক্তার বাদী হয়ে শেরেবাংলা নগর থানায় মামলা করেন।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা দুদকের সহকারী পরিচালক সোহানা আক্তার ২০১৮ সালের ৮ মে শেফালী বেগমের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করেন। ২০১৯ সালের ৪ জানুয়ারি শেফালীর বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন আদালত।

জেএ/কেএসআর/এএসএম

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।