মানবতাবিরোধী অপরাধ

সাতক্ষীরার চারজনকে সেফ হোমে জিজ্ঞাসাবাদের অনুমতি

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৮:৪৩ পিএম, ০৩ অক্টোবর ২০২২

মানবতাবিরোধী অপরাধে অভিযুক্ত সাতক্ষীরার শ্যামনগরের চার আসামিকে সেফ হোমে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের অনুমতি দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। মুক্তিযুদ্ধের সময় সংঘটিত হত্যা, গণহত্যা, নির্যাতনসহ মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় গ্রেফতার হয়ে কারাগারে রয়েছেন তারা।

আসামিরা হলেন- শ্যামনগর উপজেলার ঈশ্বরীপুর ইউনিয়নের মৃত বরকত উল্লার ছেলে এস এম মহসিন উল মুলক, মুন্সিগঞ্জ ইউনিয়নের মৃত নাসির উদ্দিনের ছেলে জি এম মহিউদ্দিন, মৃত জোহর আলী গাজীর ছেলে মো. ফজর আলী গাজী ও শ্রীফলকাটির মৃত মান্দার মোল্লার ছেলে আব্দুল কুদ্দুস গাজী।

সোমবার (৩ অক্টোবর) ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. শাহিনুর ইসলামের নেতৃত্বে তিন সদস্যের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল এই আদেশ দেন।

ট্রাইব্যুনালের অন্য দুই সদস্য হলেন- বিচারপতি আবু আহমেদ জমাদার ও বিচারপতি কেএম হাফিজুল আলম। আদালতে আজ রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন প্রসিকিউটর মো. মোখলেসুর বাদল। তার সঙ্গে ছিলেন প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট সাবিনা ইয়াসমিন খান মুন্নি।

আসামিদের আগামী ১০ অক্টোবর রাজধানীর ধানমন্ডিতে তদন্ত সংস্থার সেফ হোমে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে বলে জানিয়েছেন অ্যাডভোকেট সাবিনা ইয়াসমিন খান মুন্নি। জিজ্ঞাসাবাদের সময় প্রতি আসামির জন্য একজন রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ও একজন আসামিপক্ষের আইনজীবী উপস্থিত থাকবেন। তখন সেখানে তাদের সঙ্গে একজন চিকিৎসকও থাকবেন বলে জানান সাবিনা ইয়াসমিন খান মুন্নি। তিনি জানান, এই মামলার বিষয়ে পরবর্তী শুনানির জন্য আগামী ১১ অক্টোবর দিন ধার্য রয়েছে।

এর আগে গত ৭ সেপ্টেম্বর সাতক্ষীরার শ্যামনগরের ১০ জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছিলেন আদালত। ওইদিন সন্ধ্যায় মামলার চার আসামিকে গ্রেফতার করা হয়। পরদিন ৮ সেপ্টেম্বর সকালে তাদেরকে ট্রাইব্যুনালে উপস্থিত করা হয়। এসময় আদালত তাদেরকে করাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। তারই আলোকে তাদের কারাগারে পাঠানো হয়। একই সঙ্গে মামলার তদন্তের অগ্রগতি বিষয়ে প্রতিবেদন দেওয়ার জন্যে আগামী ১১ অক্টোবর পরবর্তী দিন ঠিক করেন ট্রাইব্যুনাল।

১৯৭১ সালের ১০ অক্টোবর শ্যামনগর উপজেলার মুন্সিগঞ্জ ইউনিয়নের কদমতলা গ্রামের সুরেন্দ্রনাথ মণ্ডলকে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে নদীর পাড়ে গুলি করে হত্যা করা হয়। ওই হত্যাকাণ্ডের অভিযোগে ২০০৯ সালের ২৬ এপ্রিল উল্লেখিত চারজনের বিরুদ্ধে মামলা করেন সুরেন্দ্রনাথ মণ্ডলের মেয়ে চন্দনা রাণী মণ্ডল।

এফএইচ/কেএসআর/এএসএম

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।