চট্টগ্রাম বিএনপির ১০২ নেতাকর্মীর হাইকোর্টে আগাম জামিন

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০২:৫৮ এএম, ২৬ জানুয়ারি ২০২৩
ফাইল ছবি

সহিংসতার ঘটনায় চট্টগ্রামের কোতোয়ালি থানায় দায়ের করা পৃথক মামলায় বিএনপির নির্বাহী কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক মাহবুবুর রহমান শামীমসহ ১০২ নেতাকর্মীর আগাম জামিন মঞ্জুর করে আদেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। তাদের ছয় সপ্তাহের জামিন দিয়ে সংশ্লিষ্ট বিচারিক (নিম্ন) আদালতে আত্মসমর্পণের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

জামিনপ্রাপ্তদের মধ্যে চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক ডা. শাহাদাত হোসেন ও সদস্যসচিব আবুল হাসেমও রয়েছেন।

এ সংক্রান্ত বিষয়ে শুনানি নিয়ে বুধবার (২৫ জানুয়ারি) হাইকোর্টের বিচারপতি মোস্তফা জামান ইসলাম ও মোহাম্মদ আমিনুল ইসলামের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এই আদেশ দেন।

বিএনপির নেতাকর্মীদের পক্ষে মামলা পরিচালনা করেন সিনিয়র অ্যাডভোকেট এ. জে মোহাম্মদ আলী, ব্যারিস্টার এএম মাহবুব উদ্দিন খোকন, ব্যারিস্টার কায়সার কামান, অ্যাডভোকেট আব্দুল জব্বার ভূঁইয়া, অ্যাডভোকেট গাজী মো. কামরুল ইসলাম সজল, অ্যাডভোকেট মুজিবুর রহমান মিয়া, অ্যাডভোকেট আব্দুল মান্নান, অ্যাডভোকেট ওসমান চৌধুরী, এ. কে. এম খলিলুল্লাহ কাসেম ও গোলাম মুক্তাদীর উজ্জ্বল প্রমুখ।

জানা গেছে, বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে গত ১৬ জানুয়ারি বিকেলে দলীয় কার্যালয়ের সামনে চট্টগ্রাম মহানগর বিএন‌পির সমাবেশ চলছিল। এতে মিছিল সহকারে বিভিন্ন ইউনিটের নেতাকর্মীরা যোগ দেন। ওইদিন যুবদলের একটি মিছিল কাজির দেউরি মোড় থেকে সমাবেশের দিকে যাচ্ছিল। ওই মিছিলে থাকা নেতাকর্মীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ হয়। সেসময় পুলিশ বিএনপি নেতাকর্মীদের লক্ষ্য করে টিয়ারশেল নিক্ষেপ করে। বিএনপি নেতাকর্মীরাও পুলিশকে লক্ষ্য করে ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করেন।

ওই ঘটনায় পুলিশসহ বেশ কয়েকজন আহত হন। ওইসময় কাজির দেউরি মোড়ে কর্তব্যরত ট্রাফিক পরিদর্শক বিপ্লবের মোটরসাইকেলে আগুন দেন বিএনপি নেতাকর্মীরা। আদালত থেকে ফেরত একটি গাড়িতে হামলা চালিয়ে মিরসরাই থানার কয়েকজন পুলিশ সদস্যকে আহত করেন তারা। একই সঙ্গে কাজির দেউরি মোড়ে থাকা নগর পুলিশের সার্ভিস সেন্টার ও ট্রাফিক পুলিশ বক্স ভাঙচুর করা হয়।

ওইদিন রাতেই বিএনপি নেতাকর্মীদের আসামি করে কোতোয়ালি থানা পুলিশ দুটি, ট্রাফিক পুলিশ ও জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে একটি করে মোট ৪টি মামলা হয়। এই চার মামলায় মাহবুবের রহমান শামীম, ডা. শাহাদাত হোসেন, আবুল হাসেম বক্করসহ ১০২ নেতাকর্মীকে আসামি করা হয়।

মামলার পরপরই পুলিশ আসামিদের গ্রেফতারে তৎপর হয়ে ওঠে। শীর্ষ নেতাদের গ্রেফেতারে বাসায় বাসায় তল্লাশি চালানো হয়। গ্রেফতার এড়াতে নেতাকর্মীরা বিভিন্ন জায়গায় আত্মগোপনে ছিলেন।

এফএইচ/ইএ

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।