প্রথাবিরোধী লেখক হুমায়ুন আজাদকে স্মরণ

জাগো নিউজ ডেস্ক
জাগো নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত: ১১:৫৫ এএম, ১১ জানুয়ারি ২০১৮
প্রথাবিরোধী লেখক হুমায়ুন আজাদকে স্মরণ

প্রথাবিরোধী লেখক অধ্যাপক হুমায়ুন আজাদের স্মরণে বুধবার বিকেল ৩টায় জাতীয় জাদুঘরের কবি সুফিয়া কামাল মিলনায়তনে 'হুমায়ুন আজাদ এবং বাঙালির প্রগতি মনস্কতার প্রতিকৃতি' শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়।

এতে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন কবি চঞ্চল আশরাফ। কবি স্থপতি রবিউল হুসাইনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আলোচক ছিলেন লেখক-কন্যা মৌলি আজাদ, কবি মারুফুল ইসলাম, কবি তুষার দাশ ও প্রকাশক ওসমান গনি। সভাপতিত্ব করেন কবি স্থপতি রবিউল হুসাইন।

হুমায়ুন আজাদের স্মরণে বক্তারা বলেন, হুমায়ুন আজাদ বাংলাদেশের প্রধান প্রথাবিরোধী লেখক। তিনি অচলায়তনের বিরুদ্ধে প্রতিনিয়ত লড়াই করেছেন। এ কারণেই মাত্র ৫৭ বছর বয়সে তার জীবন উৎসর্গ করতে হয়েছে। অত্যন্ত আত্মবিশ্বাসী লেখক ছিলেন তিনি। যার শুরু 'অলৌকিক ইস্টিমার' কবিতা দিয়ে। এরপর থেকে 'পেরোনোর কিছু নেই' পর্যন্ত তিনি এক চেতনার জগৎ তিনি সৃষ্টি করেছেন। দুঃসাহসী-অকুতোভয় এক মানুষ ছিলেন তিনি।

মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করে কবি চঞ্চল আশরাফ বলেন, অধ্যাপক হুমায়ুন আজাদ ছিলেন একজন প্রথাবিরোধী ও বহুমাত্রিক মননশীল লেখক। তার লেখনি বহুমাত্রিকতার জন্যে সমাদৃত। তিনি ধর্ম, মৌলবাদ, প্রতিষ্ঠান ও সংস্কারবিরোধিতা, নারীবাদ ও রাজনীতি বিষয়ে নির্মম সমালোচনামূলক বক্তব্যের জন্য আশির দশক থেকে পাঠকগোষ্ঠীর দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। তিনি সচেতনভাবে গতানুগতিক চিন্তাধারা পরিহার করতেন।

রবিউল হুসাইন বলেন, মূলত গবেষক ও প্রাবন্ধিক হলেও হুমায়ুন আজাদ নব্বইয়ের দশকে একজন প্রতিভাবান উপন্যাসিক হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেন। তার ভাষা দৃঢ়, কাহিনীর গঠন সংহতিপূর্ণ এবং রাজনৈতিক দর্শন স্বতঃস্ফূর্ত।

ওসমান গনি বলেন, সামরিক শাসনের বিরোধিতা দিয়ে তার রাজনৈতিক লেখালিখির সূত্রপাত।

এমবিআর/আরআইপি