EN
  1. Home/
  2. ক্যাম্পাস

প্রত্যাশা-প্রাপ্তিতে শাবি উপাচার্যের তিন বছর

বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক | শাবি | প্রকাশিত: ০২:৩৮ পিএম, ২১ আগস্ট ২০২০

শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য হিসেবে অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন আহমেদের প্রশাসনিক দায়িত্ব পালনের তিন বছর পূর্তি হয়েছে। ২০১৭ সালের ২১ আগস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের ১১তম উপাচার্য হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের সাবেক ডিন ও শিক্ষক সমিতির সাবেক সভাপতি অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন আহমেদ।

শুক্রবার তার নেতৃত্বে চতুর্থ বর্ষে পা দিচ্ছে শাবি প্রশাসন। এ উপলক্ষে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও কর্মকর্তা-কর্মচারীরা তাকে অভিনন্দন জানিয়েছেন।

তিন বছরের কর্মকাণ্ড মূল্যায়নে সাফল্য-ব্যার্থতায় নানা চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হয়েছেন তিনি। এই সময়টাতে নানা আলোচনা-সমালোচনা থাকা সত্ত্বেও প্রশাসনিক কর্মকাণ্ডে গতিশীলতা, সেশনজট নিয়ন্ত্রণ, একযুগ পর তৃতীয় সমাবর্তন আয়োজন, অবকাঠামো উন্নয়নে এক হাজার কোটি টাকার মেগা প্রকল্প অনুমোদন, বিশ্ববিদ্যালয় এলাকাকে সিলেট সিটি কর্পোরেশনে আওতাভুক্তকরণ, শিক্ষাক্ষেত্রে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির ব্যবহারে বিশেষ অবদানের জন্য ডিজিটাল ওয়ার্ল্ড-২০১৭ অর্জন, দেশের তথ্য ও প্রযুক্তি খাতে অবদানের জন্য ডিজিটাল বিশ্বদ্যিালয় অ্যাওয়ার্ড-২০১৯ অর্জন, বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে প্রথম ডোপ টেস্টের মাধ্যমে শিক্ষার্থী ভর্তি কার্যক্রম চালু, করোনা পরীক্ষায় নিজস্ব অর্থায়নে পিসিআর ল্যাব চালু, সীমানা প্রাচীর নির্মাণসহ বেশকিছু উল্লেখযোগ্য মেগা ইস্যুর সমাধান ও অর্জন করতে সক্ষম হয় শাবি।

অন্যদিক দায়িত্বের তিন বছরে বেশ কিছু ইস্যুতে সমালোচনারও সম্মুখীন হন উপাচার্য। দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ সংবলিত দুই পর্বে নাম-পরিচয়হীন শ্বেতপত্র বের হয়। তবে এসব অভিযোগ ভিত্তিহীন ও বানোয়াট উল্লেখ করে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দেন তিনি।

শুক্রবার গণমাধ্যমে প্রেরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে ২০১৯-২০ সালের কিছু উল্লেখযোগ্য কার্যক্রম তুলে ধরেন উপাচার্য। কার্যক্রমগুলোর মধ্যে রয়েছে- তৃতীয় সমাবর্তন আয়োজন, গোলচত্বরকে দৃষ্টিনন্দন করা, ডোপ টেস্টে শিক্ষার্থী ভর্তি কার্যক্রম চালু, ডিজিটাল ক্যাম্পাস অ্যাওয়ার্ড লাভ, ঢাকায় গেস্ট হাউস ক্রয়, সোনালী ব্যাংক থেকে শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য সহজ শর্তে ঋণ ও গৃহ নির্মাণের জন্য ঋণ সুবিধা প্রদান, শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের গবেষণায় প্লেজারিজম মুক্ত রাখতে ‘টার্ন-ইট-ইন’ সফটওয়্যার চালু, বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে প্রথম সার্টিফিকেট যাচাইয়ের জন্য ‘ব্লক চেইন’ পদ্ধতি চালু, করোনায় অসচ্ছল শিক্ষার্থী ও বন্যার্তদের আর্থিক সহায়তা, অনলাইন ক্লাসের জন্য শিক্ষকদের দশ হাজার টাকার প্রণোদনা ও ঋণ প্রদান ও শিক্ষার্থীদের ডাটা প্যাকেজ প্রদান, সিটি কর্পোরেশনে আওতাভুক্ত হওয়া, ৮টি উন্নয়ন প্রকল্পের কাজ শুরু করা, পরিবহনপুলে অ্যাম্বুল্যান্সসহ ৫টি গাড়ি সংযোজন প্রভৃতি উল্লেখযোগ্য কার্যক্রম।

বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে উপাচার্য অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন আহমেদ তার বৃহৎ স্বপ্নের কথা জানান।

তিনি বলেন, শিক্ষা, গবষেণা ও প্রযুক্তির দিক দিয়ে দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে আমরা এখন অনন্য উচ্চতায় অবস্থান করছি। সকলের সার্বিক সহযোগিতায় শাবিকে বিশ্ব দরবারে তুলে ধরতে চাই। শাবিকে প্রথম সারির এবং আন্তর্জাতিক মানের বিশ্ববিদ্যালয়ে পরিণত করতে আমাদের প্রচেষ্টার অন্ত নেই। বিশ্ববিদ্যালয়ের অগ্রযাত্রায় তিনি সংশ্লিষ্ট সকলের সহযোগিতা কামনা করেন।

মোয়াজ্জেম হোসেন/এফএ/পিআর