অপহরণের পর ৯ দিন আটকে রেখে কিশোরীকে দলবেঁধে ধর্ষণ

জেলা প্রতিনিধি নরসিংদী
প্রকাশিত: ০৮:৩৭ পিএম, ১৪ অক্টোবর ২০১৯
অপহরণের পর ৯ দিন আটকে রেখে কিশোরীকে দলবেঁধে ধর্ষণ

নরসিংদীর মাধবদী উপজেলায় ১৩ বছরের কিশোরীকে অপহরণ করে নয় দিন আটকে রেখে দলবেঁধে ধর্ষণের অভিযোগে পাঁচজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

রোববার রাতে অপহরণকারী দলের মূলহোতাসহ পাঁচজনকে গ্রেফতার করে পুলিশ। এর আগে গত ৫ অক্টোবর ওই কিশোরীকে মাধবদী থানার দরগাবাড়ি এলাকা থেকে অপহরণ করা হয়।

গ্রেফতারকৃতরা হলো- নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজার উপজেলার দেবাই গ্রামের বিল্লাল হোসেনের ছেলে সুজন (২৭), সাতগ্রাম গ্রামের মধু মিয়ার ছেলে রুবেল মিয়া (২৬), ময়মনসিংহ সদর উপজেলার রহমতপুর গ্রামের রফিকুল ইসলামের ছেলে মো. ফয়সাল মিয়া (২০), লালমনিরহাট সদর উপজেলার চরকুলাঘাপ গ্রামের শহিদুল ইসলামের ছেলে আছাদুল ইসলাম (১৯) ও মানিকগঞ্জের হরিরামপুরের চালা গ্রামের নিশাত মোল্লার ছেলে শাকিল মোল্লা (২২)।

পুলিশ ও নির্যাতনের শিকার কিশোরীর পরিবার জানায়, গত ৫ অক্টোবর সকাল সাড়ে ১০টার দিকে ওই কিশোরীকে মাধবদীর দরগাবাড়ি এলাকার রাস্তা থেকে মাইক্রোবাসযোগে অপহরণ করে অপহরণকারীরা। অপহরণের চার দিন পর ৯ অক্টোবর কিশোরীর বাবার মোবাইলে কল করে দুই লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হয়। অন্যথায় কিশোরীকে মেরে ফেলার হুমকি দেয়া হয়। কিশোরীকে উদ্ধারে ব্যর্থ হয়ে তার বাবা বাদী হয়ে গত ১২ অক্টোবর মাধবদী থানায় মামলা করেন।

মামলার পর মুক্তিপণ দাবি করা মোবাইল নম্বর ট্র্যাকিং শুরু করে পুলিশ। পরে অপহরণকারী চক্রের এক সদস্য মুক্তিপণের টাকা নিতে আশুলিয়ার নরসিংহপুর এসে পুলিশের হাতে গ্রেফতার হয়। তার দেয়া তথ্যমতে সাভারের গোমাইল উত্তরপাড়ার একটি বাড়ি থেকে অপহৃত কিশোরীকে উদ্ধার করা হয়।

এ সময় অপহরণে সহায়তাকারী ফয়সাল, শাকিল ও আছাদুল ইসলামকে গ্রেফতার করা হলেও অপহরণকারী দলের মূলহোতা সুজন পালিয়ে যায়। পরে তাকেও গ্রেফতার করে পুলিশ।

মাধবদী থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু তাহের দেওয়ান বলেন, কিশোরীকে উদ্ধার করে স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য নরসিংদী সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। গ্রেফতারকৃতরা প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে অপহরণ ও গণধর্ষণে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে। আরও জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তাদের দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।

এএম/এমকেএইচ

সর্বশেষ - দেশজুড়ে

জাগো নিউজে সর্বশেষ

জাগো নিউজে জনপ্রিয়