EN
  1. Home/
  2. স্বাস্থ্য

মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটের রেজিস্ট্রারের নিঃশর্ত মুক্তি দাবি

নিজস্ব প্রতিবেদক | প্রকাশিত: ০৯:০৬ পিএম, ১৯ নভেম্বর ২০২০

রাজধানীর আদাবরে একটি বেসরকারি হাসপাতালে মারধরে পুলিশ কর্মকর্তা নিহতের ঘটনায় দায়ের হওয়া মামলায় গ্রেফতার জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের রেজিস্ট্রার ডা. মো. আব্দুল্লাহ আল মামুনের নিঃশর্ত মুক্তির দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব সাইকিয়াট্রিস্টস (বিএপি)।

বৃহস্পতিবার (১৯ নভেম্বর) আগারগাঁওয়ে জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট ও হাসপাতাল প্রাঙ্গণে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি জানান সংগঠনটির সভাপতি অধ্যাপক ডা. মো. ওয়াজিউল আলম চৌধুরী।

পরিস্থিতির উন্নতি না হলে গতকাল ও আজকের মতো পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত অনলাইনসহ সব প্রাইভেট চেম্বার বন্ধ রাখার ঘোষণাসহ আগামী শনিবার থেকে লাগাতার কর্মসূচির ঘোষণা দিয়েছে সংগঠনটি।

আব্দুল্লাহ আল মামুনের গ্রেফতারের তীব্র নিন্দা জানিয়ে ডা. মো. ওয়াজিউল আলম চৌধুরী বলেন, যারা ভিডিও ফুটেজটি দেখেছেন তাতে স্পষ্টভাবে আপনারা দেখেছেন এএসপি আনিসুল করিমের সঙ্গে ধস্তাধস্তি হয়, তাতে কোথাও ডা. মো. আব্দুল্লাহ আল মামুন অংশগ্রহণ করেননি এবং রোগীর চিকিৎসাপত্র দেননি। তাহলে কীভাবে তিনি হত্যা মামলার আসামি হলেন?

তিনি আরো বলেন, ‘এএসপি আনিসুল করিমকে তার চিকিৎসক ভগ্নিপতি, বোন ও তিন পুলিশ সদস্যসহ জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটে নিয়ে আসেন গত ৯ নভেম্বর। তারা আনুমানিক সকাল ৬টা ৫০ মিনিটে হাসপাতালে আসেন। মৃত আনিসুল স্পষ্টত অত্যন্ত উত্তেজিত এবং মারমুখী ছিলেন। তাকে হাসপাতালে তৎক্ষণাৎ পর্যবেক্ষণ কক্ষে নেয়া হয় এবং উত্তেজনা প্রশমনকারী ইঞ্জেকশন প্রদান করা হয় এবং হাসপাতালে ভর্তির পরামর্শ দেয়া হয়। এসব তথ্য তার বহির্বিভাগের ব্যবস্থাপত্রে লিপিবদ্ধ আছে।’

সংগঠনের সদস্য মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটের সহযোগী অধ্যাপক ডা. হেলাল উদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘আনিসুল করিমকে যে ইনজেকশনটি দেয়া হয়েছে সেটা অত্যন্ত সেফ ছিল। ইঞ্জেকশনটি দেয়া আর মৃত ঘোষণার মধ্যে অনেক সময়ের পার্থক্য আছে, প্রায় ঘণ্টা দেড়েক। ইঞ্জেকশনটি ৫ থেকে ৭ সেকেন্ডের মধ্যে কাজ করে। রোগীকে তাৎক্ষণিক ঠান্ডা করার জন্য দেয়া হয়, এটার দীর্ঘমেয়াদি কোনো ইফেক্ট নেই।’

তিনি আরো বলেন, এএসপি আনিসুল করিমের চিকিৎসায় ডা. আব্দুল্লাহ আল মামুনের সংশ্লিষ্টতা নেই।

সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনের ভাইস প্রেসিডেন্ট ব্রিগেডিয়ার জেনারেল প্রফেসর মো. আজিজুল ইসলাম, প্রফেসর মোহিত কামাল, জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের পরিচালক অধ্যাপক ডা. বিধান রঞ্জন রায় পোদ্দার প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত ৯ নভেম্বর আদাবরের মাইন্ড এইড হাসপাতালে মানসিক সমস্যার চিকিৎসা নিতে গেলে মারধরের শিকার হয়ে জ্যেষ্ঠ সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) আনিসুল করিমের মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় দায়ের করা মামলায় গত ১৭ নভেম্বর ডা. মো. আব্দুল্লাহ আল মামুনকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

এসএইচএস/এমকেএইচ