EN
  1. Home/
  2. আন্তর্জাতিক

ক্ষমতা ছাড়ছেন না থাই প্রধানমন্ত্রী, বিক্ষোভ অব্যাহত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক | প্রকাশিত: ১০:১৭ পিএম, ২৫ অক্টোবর ২০২০

থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী প্রায়ুথ চান-ওচার পদত্যাগ দাবিতে ফের রাস্তায় নেমে এসেছেন হাজার হাজার বিক্ষোভকারী। শনিবার শেষ হওয়া ডেডলাইনের মধ্যে প্রধানমন্ত্রী পদত্যাগ না করায় রোববার আবারও উত্তাল হয়ে উঠেছে দেশটি।

টানা তিন মাস ধরে চলমান সরকার ও রাজশাসনবিরোধী বিক্ষোভ থামাতে গত ১৫ অক্টোবর হঠাৎ করেই দেশব্যাপী জরুরি অবস্থা জারি করে থাই সরকার। এ কড়াকড়ি তুলে নেয়ার পর রোববারই প্রথম বড় ধরনের বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

এদিন বিক্ষোভকারীদের এক নেতা বলেন, তিনি (থাই প্রধানমন্ত্রী) পদত্যাগ না করলে আমাদের অবশ্যই শান্তিপূর্ণ পথে তাকে ক্ষমতাছাড়া করতে বেরিয়ে আসতে হবে।

তবে এক টুইটে থাই প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে জানানো হয়েছে, প্রায়ুথ চান-ওচা পদত্যাগ করছেন না। তিনি বলেছেন, সংকটের আলোচনা সংসদেই হওয়া উচিত। আগামী সোম ও মঙ্গলবার এ বিষয়ে আলোচনার জন্য বিশেষ অধিবেশন আহ্বান করা হয়েছে।

তবে সংসদে সরকার পক্ষের সমর্থক বেশি থাকায় এ আলোচনার সফলতা নিয়ে সন্দেহ রয়েছে বিরোধীদের।

২০১৪ সালে সামরিক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে ক্ষমতায় আসেন থাই প্রধানমন্ত্রী প্রায়ুথ চান-ওচা। সমালোচকদের দাবি, ক্ষমতায় থাকতে গত বছরের নির্বাচনে জালিয়াতির আশ্রয় নিয়েছিলেন তিনি। তবে এ অভিযোগ অস্বীকার করেছেন থাই প্রধানমন্ত্রী।

রোববার বিক্ষোভের সময় ঐতিহাসিক রাতচাপরাসং চত্ত্বরে খুব বেশি পুলিশের আনাগোনা দেখা যায়নি।

সরকারের এক মুখপাত্র বলেছেন, বিক্ষোভকারীরা শান্ত এবং আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকলে বলপ্রয়োগের কোনও প্রয়োজন হবে না।

তবে সোমবার থাই রাজা মাহা ভাজিরালংকর্নের বিরুদ্ধে বার্তা হিসেবে জার্মান দূতাবাসের দিকে মিছিল নিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে বিক্ষোভকারীদের। ভাজিরালংকর্ন বছরের বেশিরভাগ সময়ই জার্মানিতে কাটান বলে অভিযোগ রয়েছে।

বিক্ষোভকারীদের প্রধান দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে- থাই প্রধানমন্ত্রীর পদত্যাগ, সরকার ভেঙে দিয়ে নতুন নির্বাচন, সামরিক সরকারের লেখা সংবিধান সংশোধন, ভিন্নমতের ওপর দমন-পীড়ন বন্ধ এবং রাজশাসন সংস্কার।

সূত্র: রয়টার্স
কেএএ/