EN
  1. Home/
  2. আইন-আদালত

ভার্চুয়ালে নিম্ন আদালতে প্রায় ৫০ হাজার আসামির জামিন

নিজস্ব প্রতিবেদক | প্রকাশিত: ০৮:১৭ পিএম, ০৪ জুলাই ২০২০

বৈশ্বিক মহামারি করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে দেশের সব অধস্তন আদালতে ভার্চুয়াল শুনানি নিয়ে ৩৫ কার্যদিবসে মোট ৪৯ হাজার ৭৬২ জন আসামির জামিন মঞ্জুর করা হয়েছে।

৯৫ হাজার ৫২৩টি জামিন-দরখাস্ত নিষ্পত্তি করে এসব আসামির জামিন দেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের মুখপাত্র ও হাইকোর্ট বিভাগের স্পেশাল অফিসার ব্যারিস্টার মোহাম্মদ সাইফুর রহমান।

প্রাপ্ত তথ্যানুযায়ী, গত ১১ মে থেকে ২ জুলাই পর্যন্ত গত ৩৫ কার্যদিবসে ৯৫ হাজার ৫২৩টি জামিনের আবেদন নিষ্পত্তি করে ৪৯ হাজার ৭৬২ জনের জামিন মঞ্জুর করা হয়। আর গত ২৮ জুন থেকে ২ জুলাই পর্যন্ত ৫ কার্যদিবসে ১০ হাজার ৮৬৬টি জামিন আবেদন নিষ্পত্তি করে ৪৯৬০ জনের জামিন মঞ্জুর করা হয়। এর মধ্যে ঢাকা বিভাগের বিভিন্ন আদালতে ১৩৪১ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে ৮৩৩ জন, রংপুর বিভাগে ৪৪২ জন, বরিশাল বিভাগে ২২৩ জন, রাজশাহী বিভাগে ৬৮৯ জন, খুলনা বিভাগে ৭২৬ জন, সিলেট বিভাগে ২৭৮ জন এবং ময়মনসিংহ বিভাগে ২৯৯ জনের জামিন মঞ্জুর করা হয়। একই সময়ে সারা দেশে শিশু আদালত থেকে ৩৭টি শিশু এবং নারী ও শিশু নির্যাতন দমন বিশেষ ট্রাইব্যুনাল থেকে ৯২ জনকে জামিন দেয়া হয়েছে।

গত ৯ মে ভাচুয়াল কোর্টে শুনানির জন্য অধ্যাদেশ জারি করা হয়। পরদিন ১০ মে উচ্চ আদালতের সব বিচারপতিকে নিয়ে ভিডিও কনফারেন্সে ফুলকোর্ট সভা করেন প্রধান বিচারপতি। ওইদিনই নিম্ন আদালতের ভাচুয়াল কোর্টে শুধু জামিন শুনানি করতে নির্দেশ দেন সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসন। এরপর থেকে নিম্ন আদালতে ভার্চুয়াল কোর্টে জামিন শুনানি শুরু হয়। ১১ মে প্রথমবারের মতো কুমিল্লার আদালতে এক আসামির জামিন হয়।

মোহাম্মদ সাইফুর রহমান জানান, ১১ মে থেকে ২ জুলাই পর্যন্ত মোট ৩৫ কার্যদিবসে সারা দেশে অধস্তন আদালতে ভার্চুয়াল শুনানিতে মোট ৯৫ হাজার ৫২৩টি জামিন-দরখাস্ত নিষ্পত্তি এবং ৪৯ হাজার ৭৬২ জন আসামির জামিন মঞ্জুর হয়েছে।

করোনাকালে ২৬ মার্চের পর দফায় দফায় সাধারণ ছুটিরও মেয়াদ বাড়ানো হয়। সর্বশেষ গত ১৬ মে দেয়া এক বিজ্ঞপ্তিতে সাধারণ ছুটির মেয়াদ ৩০ মে পর্যন্ত বাড়ানো হয়। তবে সরকার ৩০ মে’র পর সাধারণ ছুটি আর না বাড়ালেও আদালত অঙ্গনে নিয়মিত কার্যক্রমের পরিবর্তে পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত ভার্চুয়াল বিচার কাজ অব্যাহত থাকবে জানিয়ে বিজ্ঞপ্তি জারি করেন সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসন।

এফএইচ/জেডএ/এমকেএইচ