EN
  1. Home/
  2. জাতীয়

নির্ধারিত সময়ে ডানা মেলতে পারছে না রিজেন্ট এয়ারওয়েজ

নিজস্ব প্রতিবেদক | প্রকাশিত: ০৫:১৩ পিএম, ০৯ নভেম্বর ২০২০

প্রায় আট মাস ফ্লাইট অপারেশন বন্ধ থাকার পর ১০ নভেম্বর আকাশে আবারও ডানা মেলার কথা ছিল বেসরকারি প্রতিষ্ঠান রিজেট এয়ারওয়েজের। তবে ফ্লাইট পরিচালনার চূড়ান্ত ছাড়পত্র না পাওয়ায় এখনই আসতে পারছে না তারা।

সর্বশেষ সেপ্টেম্বর মাসে রিজেন্ট সিদ্ধান্ত নিয়েছিল, আগামী ১০ নভেম্বর পুনরায় ফ্লাইট শুরু করার মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানের দশম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন করবে। তবে সেই আশা আর পূরণ হচ্ছে না তাদের। নিয়ন্ত্রক সংস্থার ছাড়পত্র না পাওয়ায় আপাতত ফ্লাইট পরিচালনা করতে পারবে না তারা।

এ বিষয়ে রিজেন্ট এয়ারওয়েজের চিফ অপারেটিং অফিসার আশিষ রায় চৌধুরী জাগো নিউজকে বলেন, এয়ার অপারেশন সার্টিফিকেট (এওসি) নবায়ন না হওয়ায় আমাদের অপারেশনে (ফ্লাইট পরিচালনা) আসতে কিছুটা বিলম্ব হচ্ছে। এওসি নবায়নের জন্য যে ইনস্পেকশন দরকার ছিল সেটা হয়ে গেছে। এখন এওসি পাওয়ার পরপরই আমরা অপারেশনে আসবো। এক্ষেত্রে নভেম্বর মাসের শেষের দিকেই অপারেশনে আসতে পারবো বলে আশা করছি।

এদিকে রিজেন্ট এয়ারওয়েজ জানায়, সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে বহরে চারটি এয়ারক্রাফট নিয়ে নতুন করে ফিরে আসবে তারা।

Rigent

অপারেশন শুরুর পর প্রাথমিকভাবে শুধু দেশের অভ্যন্তরীণ রুটে ফ্লাইট পরিচালনা করবে রিজেন্ট। ধাপে ধাপে প্রতিবেশী ভারত, মধ্যপ্রাচ্যের দেশ কাতার ও ওমান রুটে ফ্লাইট চালাবে তারা। এরপর প্রথমবারের মতো ঢাকা-দুবাই-ঢাকা রুটেও ফ্লাইট চালানো শুরু করতে পারে তারা।

চলতি বছরের ২২ মার্চ হুট করেই তিন মাসের জন্য বন্ধ ঘোষণা করা হয় রিজেন্টের ফ্লাইট চলাচল। যদিও সময় গড়াতে গড়াতে ১০ নভেম্বর ঘিরে পরিকল্পনা সাজাচ্ছিল তারা। এখন এই তারিখে ডানা মেলতে না পারলেও ফিরে আসার সব পরিকল্পনা চূড়ান্ত বলে জানিয়েছে রিজেন্ট।

২২ মার্চ ফ্লাইট পরিচালনা বন্ধ হওয়ার আগের দিন পর্যন্ত রিজেন্ট এয়ারওয়েজ দেশের ভেতর চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার এবং দেশের বাইরে কলকাতা, কুয়ালালামপুর, সিঙ্গাপুর, মাস্কাট ও দোহা রুটে ফ্লাইট পরিচালনা করছিল।

ফ্লাইট অপারেশন বন্ধের বিষয়ে সেসময় রিজেন্ট জানায়, করোনাভাইরাসের কারণে বিভিন্ন দেশের আরোপ করা নিষেধাজ্ঞার কারণে রিজেন্টের ফ্লাইট পরিচালনার মতো আর কোনো রুটই অবশিষ্ট ছিল না। এছাড়া তাদের রাজস্ব শূন্যের কোঠায় চলে যায় বলেও জানায় এয়ারলাইন্সটি।

২০১৯ সালের ডিসেম্বরেও একবার রিজেন্ট বন্ধের গুঞ্জন ওঠে। তবে সেসময় তাদের ফ্লাইট অপারেশন বন্ধ হয়নি। পর্যাপ্ত উড়োজাহাজ না থাকায় তখন আন্তর্জাতিক ও অভ্যন্তরীণ কয়েকটি রুটে ফ্লাইট কমাতে বাধ্য হয় তারা।

২০১০ সালের ১০ নভেম্বর বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ রুটে ফ্লাইট পরিচালনার মাধ্যমে কার্যক্রমে আসে চট্টগ্রামভিত্তিক শিল্পগোষ্ঠী হাবিব গ্রুপের প্রতিষ্ঠান রিজেন্ট এয়ারওয়েজ (এইচজি এভিয়েশন লিমিটেড)।

এআর/এইচএ/পিআর