EN
  1. Home/
  2. জাতীয়

বিদেশি চকলেটের প্যাকেটে ইয়াবা, পাচার হয় বিমানে!

নিজস্ব প্রতিবেদক | চট্টগ্রাম | প্রকাশিত: ০৭:১১ পিএম, ০২ মার্চ ২০২১

মধ্যপ্রাচ্য থেকে আসা চকলেটের মোড়কে বিশেষ কায়দায় প্যাকেটজাত করা হয় ইয়াবা। এরপর বিমানযাত্রী হয়ে কক্সবাজার ও চট্টগ্রাম থেকে সেই ইয়াবা ছড়িয়ে দেয়া হয় সারাদেশে। এমন চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে চট্টগ্রামের কোতোয়ালী থানা পুলিশের অনুসন্ধানে।

সোমবার (২ মার্চ) রাতে চট্টগ্রাম থেকে এভাবেই বিদেশি চকলেট ও বাদামের প্যাকেটে ইয়াবা পাচারের সময় এক যুবককে গ্রেফতার করে পুলিশ।

গ্রেফতার ইয়াবা ব্যবসায়ী ওই যুবকের নাম ইমতিয়াজ ইকরাম কাঞ্চন (৩২)। তিনি কক্সবাজার জেলার হলদিয়া ইউনিয়নের মোস্তফা কামালের ছেলে।

কোতোয়ালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নেজাম উদ্দিন জাগো নিউজকে বলেন, ‘ইয়াবাসহ বিভিন্ন ধরনের মাদক পাচারে নিত্য-নতুন কৌশলের আশ্রয় নিচ্ছে মাদক ব্যবসায়ীরা। এবার সম্পূর্ণ নতুন এক কৌশল সম্পর্কে জানতে পেরেছে কোতোয়ালী থানা পুলিশ। সৌদি আরব, আরব আমিরাতসহ মধ্যপ্রাচ্য থেকে প্রবাসীদের নিয়ে আসা বিদেশি চকলেট ও বাদামের প্যাকেটকে ইয়াবা পাচারের মাধ্যম হিসেবে বেছে নিয়েছে পাচারকারীরা।’

jagonews24

তিনি বলেন, ‘পদ্ধতিটি এতটাই নিরাপদ যে, এভাবে বিশেষ কায়দায় প্যাকেটজাত করা ইয়াবা আকাশ পথে কক্সবাজার ও চট্টগ্রাম থেকে সারাদেশে পাচার করা হচ্ছে। মূলত বিদেশি চকলেট ও বাদামের প্যাকেটগুলো বিশেষ কায়দায় খোলার পর সেখান থেকে খাবারগুলো ফেলে দেয়া হয়। তার পরিবর্তে সেখানে ঢোকানো হয় ইয়াবা। পরে বিশেষ এক প্রকার গামের মাধ্যমে আবারও প্যাকেটগুলো সিল করে দেয়া হয়। এ কারণে বাইরে থেকে দেখতে এসব প্যাকেটে যে ইয়াবা আছে তা ধারণাই করা যায় না।’

ওসি নেজাম উদ্দিন বলেন, ‘গ্রেফতার ইমতিয়াজ ইকরাম কাঞ্চন এর আগে চার বার একইভাবে কক্সবাজার ও চট্টগ্রাম থেকে বিমানযোগে ইয়াবা পাচার করেছে বলে জিজ্ঞাসাবাদে আমাদের জানিয়েছে। এ বিষয়ে আরও বিস্তারিত জানতে আমরা তাকে আরও জিজ্ঞাসাবাদ ও তদন্তের উদ্যোগ নিচ্ছি।’

তিনি জানান, সোমবার রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কোতোয়ালী মোড়ে অবস্থিত মধুবন মিষ্টির দোকানের সামনে থেকে ইমতিয়াজ ইকরাম কাঞ্চনকে আটক করা হয়। পরে তার ট্রাভেল ব্যাগ তল্লাশি করে বিদেশি চকলেট ও বাদামের প্যাকেটে ১৭ হাজার ইয়াবা পাওয়া যায়। এ ঘটনায় তার বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

আবু আজাদ/এআরএ/এমএস