EN
  1. Home/
  2. রাজনীতি

বাসায় গিয়ে নিজে ত্রাণ বিতরণ করছেন ইশরাক

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক | প্রকাশিত: ০৬:৩২ পিএম, ০৮ মে ২০২০

রাজধানীর বংশাল এলাকায় এক হাজারের বেশি অসহায় পরিবারের বাসায় বাসায় গিয়ে প্রয়োজনীয় খাবার এবং সহায়তা সামগ্রী পৌঁছে দিয়েছেন ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক হোসেন। একই সঙ্গে বিভিন্ন সময় গুম এবং হয়রানির শিকার বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীদের পরিবারের পাশে দাঁড়ান তিনি।

শুক্রবার (৮ মে) জুমার নামাজের পর রাজধানীর বংশাল এলাকায় স্থানীয় বিএনপির কিছু নেতাকর্মী নিয়ে বিভিন্ন মহল্লায় ঘুরে অসহায় ও দুস্থ পরিবারের খোঁজখবর নেন ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক হোসেন।
এ সময় প্রত্যেকের বাসায় গিয়ে নিজেই পৌঁছে দেন প্রয়োজনীয় খাবার সামগ্রী। আকস্মিক ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক হোসেনকে পেয়ে অনেকটা আবেগাল্পুতও হয়ে যান অনেকেই।

এর আগে বৃহস্পতিবার (৭ মে) রাতে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকার অসহায় মানুষের বাড়ি বাড়ি গিয়ে ইশরাক হোসেনের পক্ষ থেকে ত্রাণ বিতরণ করা হয়। রাত ৯টা থেকে শুরু হয় ত্রাণ বিতরণ কার্যক্রম। সেহরির আগ পর্যন্ত নগরীর বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে অসহায়দের মাঝে এসব বিতরণ করা হয়। সারা রাতে প্রায় দেড় হাজার প্যাকেট বিতরণ করা হয়েছে।

গত সোমবার বিতরণ করা হয় রাজধানীর সূত্রাপুর এবং ওয়ারী এলাকার এক হাজার মানুষের মাঝে। ২৮ এপ্রিল সাদেক হোসেন খোকা ফাউন্ডেশনের (প্রস্তাবিত) পক্ষ থেকে ঢাকার অসহায় মানুষের জন্য খাদ্য বিতরণ কর্মসূচি প্রজেক্ট ঢাকা এইডের ঘোষণা দেন ফাউন্ডেশনের আহ্বায়ক ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক হোসেন। সেই সঙ্গে রমজান উপলক্ষে ঢাকার অন্তত ১০ হাজার দুস্থ পরিবারের পাশে দাঁড়ানোর জন্য বিত্তবানদের নিয়ে প্রজেক্ট ঢাকা এইড নামে একটি তহবিল গঠনেরও আহ্বান জানান তিনি।

এ উপলক্ষে ঘোষণা করা হয়, রমজানে প্রয়োজনীয় খাদ্যসামগ্রীর সমন্বয়ে প্রস্তুত প্যাকেজের, যার নাম দেয়া হয় রমজান ফুড প্যাক। এই কর্মসূচিতে নিজস্ব অর্থায়নে আড়াই হাজার প্যাকেট দেয়ার ঘোষণা অনুসারেই বিতরণ করা হচ্ছে ত্রাণ সামগ্রী।

ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক হোসেনের আহ্বানে সাড়া দিয়ে সরাসরি এবং বিকাশের মাধ্যমে ফাউন্ডেশনের তহবিলে দুস্থদের জন্য দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে দান করেছেন ২ লাখ ৮৯ হাজার ৪৩০ টাকা। তহবিল সংগ্রহ চলবে আগামী ১০ মে পর্যন্ত। যে কেউ চাইলেই ফাউন্ডেশনের (প্রস্তাবিত) বিকাশ নম্বরে ০১৭০৭-৩৬৮৮৬৮ দান করতে পারবেন। তহবিল সংগ্রহ সম্পর্কিত যাবতীয় হিসাব ফাউন্ডেশনের ওয়েবসাইটে বিস্তারিত তুলে ধরা হয়েছে।

কেএইচ/এফআর/পিআর