EN
  1. Home/
  2. রাজনীতি

পাহাড়ে দখলদারিত্বের প্রমাণ চিম্বুকে পাঁচতারকা হোটেলের নকশা

সায়েম সাবু | প্রকাশিত: ১১:৫০ পিএম, ০৯ নভেম্বর ২০২০

বাংলাদেশ কমিউনিস্ট পার্টির সভাপতি মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম বলেছেন, ‘পাহাড়ে বাঙালি দখলদারিত্বের প্রমাণ- বান্দরবনে চিম্বুক পাহাড়ে পাঁচতারকা হোটেলের নকশা।’

বেসরকারি প্রতিষ্ঠান শিকদার গ্রুপ চিম্বুক পাহাড়ে পাঁচতারকা হোটেল করার ঘোষণা দিয়েছে। এতে উপজাতি ম্রো জনগোষ্ঠী বাস্তচ্যুত হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। এমন হোটেল নির্মাণের প্রতিবাদ করে আসছে পাহাড়ি জনগোষ্ঠীসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠন। এ প্রসঙ্গেই জানতে চাওয়া হলে মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম তার প্রতিক্রিয়ায় এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, ‘উন্নয়নের নামে যে সর্বনাশ ঘটছে, এর প্রমাণ মিলছে বান্দরবনের চিম্বুক পাহাড়ে পাঁচতারকা হোটেল নির্মাণের পরিকল্পনায়। এই পরিকল্পনা একটি জনগোষ্ঠীকে বাস্তুচ্যুত করবে বলে ওঠে এসেছে। অন্যান্য আদিবাসীদের ন্যায় ম্রো জনগোষ্ঠীও নানা বৈষম্য আর দখলদারিত্বের শিকার। এই মানুষগুলো এখন অস্তিত্ব সংকটে। সরকার নানাভাবে তাদের অধিকার বঞ্চিত করেছে, পাহাড়ে বৈষম্য বাড়িয়েছে। এই আগ্রাসী নীতি দিন দিন বাড়ছেই।’

সেলিম বলেন, ‘পাহাড়ে নিজস্ব কাঠামো আছে। এই কাঠামোর সঙ্গে সঙ্গতি রেখে পাহাড়িদের জীবনধারণ। এখানে সমতলের মানুষের বসবাস মানেই পাহাড়ের ছন্দপতন ঘটানো। বছরের পর বছর ধরে তাই ঘটছে। পাহাড়িদের উচ্ছেদ করা হয়েছে পরিকল্পিতভাবে। সেখানে বাঙালিদের পুনর্বাসনের নামে পাহাড়িদের সঙ্গে দ্বন্দ্ব বাধিয়ে রাখা হয়েছে। উন্নয়নের নামে তাদেরকে উচ্ছেদ করা হয়েছে, যে উন্নয়ন তাদের কোনো উপকারে আসেনি। চিম্বুক পাহাড়ে এমনই নকশায় পাঁচতারকা হোটেল করার পরিকল্পনা হয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘পাহাড়ের প্রাণ-প্রকৃতি ধ্বংস করে কোনো উন্নয়ন হতে পারে না। পাহাড়ের মানুষ এ ঘটনায় যেভাবে প্রতিবাদ করছে, তাতে সবার শামিল হওয়া সময়ের দাবি।’

এএসএস/এফআর