EN
  1. Home/
  2. রাজনীতি

নির্যাতন হলে সাংবাদিকরা এক কণ্ঠে কথা বলতে পারেন না

নিজস্ব প্রতিবেদক | প্রকাশিত: ০৪:৩১ পিএম, ২৩ নভেম্বর ২০২০

দৈনিক সংগ্রামের সম্পাদক আবুল আসাদ, সাংবাদিক নেতা রুহুল আমিন গাজী ও ফটোসাংবাদিক শফিকুল ইসলাম কাজলসহ কারাবন্দি সাংবাদিকদের মুক্তির দাবিতে প্রতীকী অনশন করা হয়েছে।

সোমবার (২৩ নভেম্বর) জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন (বিএফইউজে) এ অনশন কর্মসূচির আয়োজন করে।

এ সময় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় সাংবাদিকদের অনশন কর্মসূচিতে সংহতি প্রকাশ করে দাবির প্রতি একাত্মতা পোষণ করেন।

বিএনপির এই নেতা বলেন, আজকে পেশাগত কারণে আমার মনে হয়, সাংবাদিকদের একসঙ্গে থাকার কথা। কিন্তু আমরা দেখছি, রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে যতটা না বিরোধ, সাংবাদিকদের মধ্যে প্রাতিষ্ঠানিক বিরোধটা খুব বেশি। সে কারণেই যে যার মতোই হোক না কেন, তার ওপর যখন নির্যাতন আসে তখন সাংবাদিকরা এক কণ্ঠে কথা বলতে পারেন না। না বলার কারণেই কিন্তু অত্যাচারের স্টিমরোলারটা সাংবাদিকদের ওপর যত্রতত্র হচ্ছে। শুধু আইনের ভাষায় নয়, এমনকি দৈহিক নির্যাতন এবং হত্যা, খুনের শিকার হচ্ছেন। কারণ আজকে যারা সাংবাদিক জগতের লোক, একজন সাংবাদিক আরেকজন সাংবাদিকদের প্রতি সহমর্মিতা থাকবে, রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি থেকে কারোর মতাদর্শ আলাদা থাকতে পারে।

গয়েশ্বর চন্দ্র রায় আরও বলেন, সেই কারণেই বলছি যে, আপনাদের যারা এ পেশায় আছেন তাদের মধ্যে একটা ঐকমত্য থাকা উচিত। যে ঐকমত্যটা আমরা দেখতে পাচ্ছি না! নিজেদের এ পেশার মধ্যে যদি এই ঐকমত্য না থাকে তাহলে পর্যায়ক্রমে সবাই কিন্তু একদিন না একদিন নির্যাতনের শিকার হবেন।

বিএফইউজের সভাপতি এম আবদুল্লাহর সভাপতিত্বে অনশন কর্মসূচিতে সাংবাদিক নেতা শওকত মাহমুদসহ সাংবাদিক ও রাজনৈতিক নেতারা বক্তব্য দেন।

এওয়াই/এফআর/এমকেএইচ