EN
  1. Home/
  2. রাজনীতি

দেশকে নতজানু করে রাখার ষড়যন্ত্র চলছে : ফখরুল

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক | প্রকাশিত: ০৯:৪২ পিএম, ২১ জানুয়ারি ২০২১

বাংলাদেশকে ‘নতজানু’ করে রাখার ষড়যন্ত্র চলছে বলে দাবি করেছেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

বৃহস্পতিবার (২১ জানুয়ারি) বিকেলে স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপন উপলক্ষে দলের এক ওয়েবিনারে বিএনপি মহাসচিব এমন মন্তব্য করেন।

তিনি বলেন, তারা (সরকার) আজ অত্যন্ত পরিকল্পিতভাবে বাংলাদেশের মানুষকে তাদের অধিকার থেকে বঞ্চিত করেছেন, বাংলাদেশের মানুষকে তাদের যে পরিচিতি আছে সেখান থেকে দূরে ঠেলে দিতে চাইছেন।’

‘আজকে একটা ষড়যন্ত্র চলছে যেন, বাংলাদেশ তার স্বাতন্ত্র্য, স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্বকে ভুলে গিয়ে অন্য জায়গায় নতজানু হয়ে থাকুক। এ পরিকল্পনাকে আমাদের রুখে দিতে হবে।’

বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া সেই পতাকাই ধারণ করেছেন যে পতাকা স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমান তার হাতে তুলে দিয়েছিলেন এবং একইভাবে আমাদের নেতা তারেক রহমানও সেই পতাকা তুলে ধরছেন। এই পতাকাই মুক্তির পতাকা।’

‘আমাদের স্লোগান একটাই, আমরা আজকে শৃঙ্খলিত হতে চাই, আমরা আজকে মুক্ত হতে চাই এবং মানুষকে এই অবস্থা থেকে বাঁচাতে চাই। আসুন আমরা সেই লক্ষ্যে সবাই ঐক্যবদ্ধভাবে এগিয়ে যাই।’

স্বাধীনতা সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপনে গঠিত বিএনপির ‘সেমিনার ও সিম্পোজিয়াম কমিটি’র উদ্যোগে ‘স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের ধ্যান-ধারণা’ শীর্ষক এই ওয়েবিনার অনুষ্ঠিত হয়। এতে মূল প্রবন্ধ পাঠ করেন শিক্ষাবিদ ড. মাহবুব উল্লাহ।

তিনি বলেন, “জিয়াউর রহমান ‘প্রথম বাংলাদেশ, আমার শেষ বাংলাদেশ, বাংলাদেশ বাংলাদেশ বাংলাদেশ’, এই গানটি ভালোবাসতেন। আমার অথবা আমাদেরও শেষ ঠিকানা হচ্ছে বাংলাদেশ। যেটা বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের দলীয় সঙ্গীত আছে তার মধ্য দিয়ে এটা ফুটে ওঠে।’

কমিটির আহ্বায়ক বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আবদুল মঈন খানের সভাপতিত্বে সদস্য সচিব ইসমাইল জবিহউল্লাহর সঞ্চালনায় আলোচনা সভায় স্থায়ী কমিটির সদস্য জমির উদ্দিন সরকার, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, নজরুল ইসলাম খান, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য আবদুস সালাম, অধ্যাপক সুকোমল বড়ুয়া, যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক খন্দকার মুস্তাহিদুর রহমান, অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি ইকতেদার আহমেদ প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।

কেএইচ/এসএস/জেআইএম