প্রিমিয়ার ক্রিকেটে প্রথম হাফ সেঞ্চুরি সৌম্য সরকারের

বিশেষ সংবাদদাতা বিকেএসপি থেকে
প্রকাশিত: ১০:৩৭ এএম, ২১ এপ্রিল ২০১৯
প্রিমিয়ার ক্রিকেটে প্রথম হাফ সেঞ্চুরি সৌম্য সরকারের

০, ১৭, ২, ১, ১৪, ১০, ১২, ২৯, ৪৩, ৩৬ = গত ১০ ইনিংসে সৌম্য সরকারের রান এগুলো। এর মধ্যে সর্বোচ্চ ইনিংস হচ্ছে ৪৩ রানের। ঢাকা প্রিমিয়ার লিগে আবাহনীর হয়ে মোহামেডানের বিপক্ষে ৪৩ রানের সর্বোচ্চ ইনিংসটি খেলেছিলেন সৌম্য। তার আগে ৩৬ রানের ইনিংসটি খেলেছিলেন প্রাইম ব্যাংকের হয়ে।

এরপর ধারাবাহিকভাবেই সৌম্য সরকারের পারফরম্যান্স ছিল তলানীর দিকে। ব্যাট হাতে রানই পাচ্ছিলেন না তিনি। বিশ্বকাপের দল ঘোষণার আগে তাকে নিয়েই সবচেয়ে বেশি চিন্তায় ছিলেন নির্বাচকরা। তাকে দলে রাখবেন কি রাখবেন না- সে সিদ্ধান্ত নিতেই গলদঘর্ম হগে হয়েছে নির্বাচকদের।

শেষ পর্যন্ত আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের অভিজ্ঞতা বিবেচনায় হয়তো জাতীয় দলে সুযোগ পেয়ে গেছেন সৌম্য; কিন্তু তার পারফরম্যান্স রেখে দেয়া হয়েছে আতশি কাঁচের নিচে। আয়ারল্যান্ডের ত্রিদেশীয় সিরিজের আগ পর্যন্ত তার পারফরম্যান্স মূল্যায়ন করে নতুন কোনো সিদ্ধান্ত নেয়া হলেও হতে পারে।

বিশ্বকাপের দল ঘোষণার পর তো রীতিমত ‘ডাক’ মেরে দিয়েছিলেন সৌম্য। মিরপুরে ১৯ এপ্রিল প্রাইম ব্যাংকের বিপক্ষে আউট হয়েছিলেন শূন্য রানে।

এভাবে একের পর এক বাজে পারফরম্যান্সের কারণে যখন প্রশ্নের মুখে সৌম্য, তখন ব্যাট হাতে জবাবটা দেয়ার প্রয়োজন বোধ করলেন তিনি। এ জন্য বেছে নিলেন বিকেএসপিকেই। প্রিমিয়ারের শীর্ষে থাকা লিজেন্ডস অব রূপগঞ্জের মুখোমুখি হয়ে বিকেএসপিতে আজ অসাধারণ এক হাফ সেঞ্চুরি পূরণ করে ফেললেন তিনি।

রূপগঞ্জের বোলারদের ওপর শুরু থেকেই মারমুখি ছিলেন তিনি। যে কারণে এবারের প্রিমিয়াার লিগে সৌম্য সরকার প্রথম হাফ সেঞ্চুরিটা করলেন মাত্র ৩৯ বল থেলে। ৮টি বাউন্ডারি এবং ১টি ছক্কা মেরে। হাফ সেঞ্চুরিটা এমন এক সময়ে মারলেন, যখন তার খেলা মাঠের বাইরে বসে সরাসরি দেখছিলেন প্রধান কোচ স্টিভ রোডস এবং প্রধান নির্বাচক মিনহাজুল আবেদিন নান্নু।

এ রিপোর্ট লেখার সময় ব্যাট করছিলেন সৌম্য সরকার। ৪৯ বলে তার নামের পাশে লেখা ছিল ৬৫ রান। তার সঙ্গে ৫৩ বলে ৪৪ রান নিয়ে ব্যাট করছিলেন জহুরুল ইসলাম অমি। ১৭ ওভারে আবাহনীর রান কোনো উইকেট না হারিয়ে ১১৪।

এআরবি/আইএইচএস/জেআইএম

আপনার মতামত লিখুন :

এই বিভাগের সর্বশেষ