EN
  1. Home/
  2. খেলাধুলা

বাংলাদেশ-নেপাল ম্যাচে টিকিট ছাড়া হবে তিনভাগের একভাগ

বিশেষ সংবাদদাতা | প্রকাশিত: ০৮:২৭ পিএম, ২৫ অক্টোবর ২০২০

বাংলাদেশ ও নেপালের মধ্যকার আন্তর্জাতিক প্রীতি ম্যাচ সীমিত দর্শক গ্যালারিতে বসে খেলা দেখতে পারবে- এমন আভাস আগেই দিয়েছিল বাফুফে। কী পরিমাণ দর্শক ঢুকতে পারবে তা নির্দিষ্ট করা হয়েছে রোববার আন্তঃমন্ত্রণালয়ের সভায়।

সভা শেষে বাফুফের সাধারণ সম্পাদক মো. আবু নাইম সোহাগ জানিয়েছেন, বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামের গ্যালারিতে যে দর্শকধারণ ক্ষমতা আছে তার এক তৃতীয়াংশ টিকিট বিক্রি করা হবে।

গ্যালারির বেশিরভাগ চেয়ার ভেঙ্গে যাওয়ার পর সব তুলে ফেলা হয়েছে। এখন আগের মতো চেয়ারশূন্য সাধারণ গ্যালারি। যে কারণে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে গ্যালারির বসার জায়গা চিহ্নিত করে দেয়া হবে। নির্দিষ্ট দূরত্ব রেখে বসে দর্শকরা খেলা দেখবেন। শুধু তাই নয়, কঠোরভাবে স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিত করতে স্টেডিয়ামে প্রবেশের সময় প্রত্যেক দর্শকের শরীরের তাপমাত্র পরীক্ষা করা হবে। মাস্ক ছাড়া কোনো দর্শক স্টেডিয়ামে প্রবেশ করতে পারবে না।

নেপাল জাতীয় ফুটবল দল ৫ নভেম্বর আসবে। তবে দল ঢাকায় আসার পর খেলোয়াড়-কর্মকর্তাদের ঠিক কতোদিন কোয়ারেন্টাইনে থাকতে হবে সে সিদ্ধান্ত ২-৩ দিনের মধ্যে জানিয়ে দেবে স্বাস্থ্য অধিদফতর।

বাফুফে ৪ থেকে ৫ দিন কোয়ারেন্টাইনের আবেদন করেছে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের কাছে। এ কয়দিন দলের খেলোয়াড়-কর্মকর্তারা হোটেল থেকে মাঠ আর মাঠ থেকে হোটেল ছাড়া আর কোথায়ও যাতায়াত করতে পারবেন না। কোয়ারেন্টাইন শেষ হলে স্বাস্থ্যবিধি মেনে বাংলাদেশ ও নেপাল দুই দলই তাদের অনুশীলনসহ অন্যান্য কার্যক্রম করতে পারবে।

দুটি ম্যাচই হবে ফ্লাডলাইটে। সন্ধ্যা ৬ টায় শুরু হবে খেলা। যে কারণে ফ্লাডলাইটের আলো যাতে প্রয়োজনের কাছাকাছিও পাওয়া যায়, সে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য জাতীয় ক্রীড়া পরিষদকে চিঠি দিয়েছে বাফুফে।

আন্তর্জাতিক ম্যাচের জন্য অন্তত ১২০০ লাকস পাওয়ারের আলো প্রয়োজন। বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামের ফ্লাডলাইটের আলো এখন ৭৫০ লাকসের মতো। প্রয়োজনীয় ১২০০ লাকস না হলেও অন্তত তার কাছাকাছি যাতে আলো পাওয়া যায় সে চেষ্টাই করা হচ্ছে।

আরআই/আইএইচএস/এমকেএইচ